Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Siliguri

কয়েক হাজার ‘ভুয়ো’ অ্যাকাউন্ট বানিয়ে ৮০ কোটির বেশি প্রতারণা! শিলিগুড়িতে গ্রেপ্তার চক্রের কিংপিন

তল্লাশি চালিয়ে ওই বাড়ি থেকে ৪১৪টি এটিএম কার্ড উদ্ধার হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০২৫, ১৬:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০২৫, ১৬:৪১

options
link
কয়েক হাজার ‘ভুয়ো’ অ্যাকাউন্ট বানিয়ে ৮০ কোটির বেশি প্রতারণা! শিলিগুড়িতে গ্রেপ্তার চক্রের কিংপিন zoom
উদ্ধার হওয়া কাগজপত্র খতিয়ে দেখছেন পুলিশ কর্মীরা। নিজস্ব চিত্র
Advertisement

অভ্রবরণ চট্টোপাধ্যায়, শিলিগুড়ি: দেশজুড়ে সাইবার প্রতারণার জাল ছড়িয়েছিল। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ভাড়া করে চলত টাকা লেনদেন। প্রতারণার জন্য কয়েক হাজার ‘ভুয়ো’ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট তৈরিও হয়েছে বলে অনুমান পুলিশের। এবার সাইবার প্রতারণার সেই কিংপিনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃত ব্যক্তির নাম মহম্মদ সইদুল। গতকাল সোমবার রাতে শিলিগুড়ির ফাঁসিদেওয়া থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে। একটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল কাগজপত্র, ব্যাঙ্কের পাশবই, এটিএম কার্ড উদ্ধার হয়েছে। সেসব দেখে স্তম্ভিত পুলিশ কর্মীরাও।

দীর্ঘদিন ধরেই এই সাইবার প্রতারণাচক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছিল। ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ছিল বিস্তর। ঘটনার তদন্তের জন্য সিট গঠন করা হয়েছিল ফাঁসিদেওয়া থানার তরফে। পুলিশ আন্দাজ করে এই চক্রের কিংপিন মহম্মদ সইদুল। তাঁর খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। গতকাল গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ ফাঁসিদেওয়ার একটি বাড়িতে হানা দেয়। সেখান থেকেই মহম্মদ সইদুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত নয় মাস ধরে ওই ব্যক্তি পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতারণাচক্র চালাচ্ছিল বলে অভিযোগ।

Advertisement

ওই বাড়ি থেকে ৪১৪টি এটিএম কার্ড উদ্ধার হয়েছে। ২৩৫টি চেকবুক ও ১৪৮টি পাশবুক পাওয়া গিয়েছে। এছাড়াও একাধিক প্যানকার্ড, কিউআর কোডও মিলেছে। পুলিশের অনুমান গত বেশ কয়েক বছর ধরে প্রায় ৮০ কোটি টাকার বেশি প্রতারণা হয়েছে। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দুবাইতে প্রতারণার টাকা চলে যেত। গুজরাট, দিল্লি, মুম্বই থেকেও প্রতারণা চলে। সেই কথা জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে এই চক্রের বিরুদ্ধে ৩৪০টি প্রতারণার অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ফাঁসিদেওয়া থানাতেও জালিয়াতির ৮টি অভিযোগ রয়েছে। প্রায় দেড় বছর ধরে এই চক্র প্রতারণা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ।

পুলিশের কাছে ধৃত সইদুল স্বীকার করেছে, হাজারের কাছাকাছি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট গত দেড় বছরে খোলা হয়েছে। তবে পুলিশের অনুমান, কমপক্ষে হাজার দুয়েক অ্যাকাউন্ট তার মাধ্যমে খোলা হয়েছিল। ধৃত ব্যক্তিকে এদিন আদালতে তোলা হয়। সইদুলকে ছয়দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। ধৃতকে জেরা করে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এই কথা জানিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা।

 

 

 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.