অর্ণব আইচ: জেএমবি জঙ্গি বড় করিমের জালে পড়ার দিনই রাজ্যে সন্ধান মিলল বড়সড় অস্ত্র কারখানার। শুক্রবার রাজ্য পুলিশের সঙ্গে পশ্চিম বর্ধমানের কুলটিতে যৌথ অভিযান চালায় কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (STF)।
[আরও পড়ুন: আয়লার বাঁধই ঠেকিয়েছে আমফানের তাণ্ডব, তবুও প্রকল্পের কাজ শেষ করতে ঢিলেমি প্রশাসনের]
শুক্রবার মুর্শিদাবাদের সুতি থেকে বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদিনের তৃতীয় সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতা আবদুল করিম ওরফে বড় করিমকে গ্রেপ্তার করে STF। তারপর, রাজ্যজুড়ে একাধিক অভিযান চালায় কলকাতা পুলিশের বিশেষ শাখা। STF-এর ডিসি অপরাজিত রায় জানিয়েছেন, অস্ত্র কারখানা থেকে ৩৫০টি অর্ধনির্মিত ৭ মিমি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে যার বাজার মূল্য কয়েক লক্ষ টাকা। প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দি থাকা সৌকত আনসারি নামের এক অস্ত্র কারবারিকে জেরা করে বর্ধমানের কুলটিতে এই অভিযান চালানো হয়। অবৈধ অস্ত্র নির্মাণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ঝাড়খণ্ডের ধনবাদ শহরের পাঁচ বাসিন্দাকে। ধৃতদের নাম–মহম্মদ ইসরার আহমেদ, মহম্মদ আরিফ, সুরজ কুমার শাহ, উমেশ কুমার ও অরুণ কুমার বর্মা।
গোয়েন্দারা মনে করছেন, অস্ত্রগুলি পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে হিংসা ছড়ানোর জন্য ব্যবহার করার পরিকল্পনা থাকতে পারে বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা। এছাড়া পড়শি বাংলাদেশে দুষ্কৃতীদের হাতেও ওই হাতিয়ারের একাংশ তুলে দেওয়ার কথা ছিল বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, বর্ধমানের এক প্রভবশালী নেতার মোড়তে চলছিল অবৈধভাবে হাতিয়ার নির্মাণের কাজ। ধৃতদের কাছ থেকে বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন, একটি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। সেগুলি খতিয়ে দেখে এবং ধৃতদের জেরা করে এই চক্রের অন্য পাণ্ডাদের শীঘ্রই গ্রেপ্তার করা যাবে বলে মনে করছে পুলিশ।
[আরও পড়ুন: মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেপ্তার কুখ্যাত জেএমবি জঙ্গি আবদুল করিম]
সর্বশেষ খবর
-
আঞ্চলিক মিষ্টির জিআই ট্যাগ নিয়ে তৎপর বঙ্গ বিজেপি! ‘মিষ্টি হাব’ তৈরিরও পরিকল্পনা শমীকদের
-
এবার সপ্তাহে ৬ দিনই শান্তিনিকেতনে ‘হেরিটেজ ওয়াক’, দ্রুত টিকিট মিলবে অনলাইনেও
-
লরি চাপা পড়ে মাইকেল ক্লার্কের গাড়ি! আইপিএল শেষে বিমানবন্দর যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা
-
নিজের নিরাপত্তা দিতে চেয়েছিলেন মমতা! এবার এনআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার ‘মাছ চোর’ শওকত
-
সমাজকে আদর্শের আয়না দেখায় ‘গোর্কির মা’, কেমন হল? পড়ুন রিভিউ