Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

পর্যটন মানচিত্রে নয়া গন্তব্য ড্যানি-তনুজার ‘লালকুঠি’

একটি পূর্ণাঙ্গ টুরিস্ট লজ তৈরি করার উদ্যোগ নিচ্ছে জিটিএ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০১৯, ২০:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০১৯, ২০:৩৬

options
link
পর্যটন মানচিত্রে নয়া গন্তব্য ড্যানি-তনুজার ‘লালকুঠি’ zoom

সংগ্রাম সিংহরায়, শিলিগুড়ি: “কারো কেউ নইকো আমি, কেউ আমার নয়, কোনও নাম নেই যে আমার, শোন মহাশয়।” ডেনি ডেনজংপা আর তনুজা অভিনীত লালকুঠি ছবিটির কথা মনে আছে? একটি সিনেমা, কতটা জনপ্রিয় হলে শুটিং স্পট এর নামই বদলে যায়, তার প্রমাণ দার্জিলিং এর লালকুঠি। আসল নাম গৌরী ভিলা।

[হাতির ছবি তুলতে গিয়ে হামলার মুখে পড়ে প্রাণহানি বাংলাদেশি পর্যটকের]

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রীর ইচ্ছাকে মর্যাদা দিয়ে লালকুঠিকে পর্যটনের মূল কেন্দ্র করে গড়ে তুলতে চলেছে গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিটিএ)। এর আগেও দার্জিলিঙে এসে প্রাচীন ঐতিহ্যশালী লালকুঠিকে হেরিটেজ হিসেবে পর্যটকদের সামনে তুলে ধরার প্রস্তাব দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি নেতাজি জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে পাহাড় এসে ফের লালকুঠি ঘুরে দেখেন তিনি। জিটিএ বোর্ডের চেয়ারম্যান বিনয় তামাং, ভাইস চেয়ারম্যান অনিত থাপাদের পরামর্শ দেন, লালকুঠিকে কেন্দ্র করে নতুন পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য। তার প্রস্তাব মেনে কাজ শুরু করে দিয়েছে জিটিএ বিনয় তামাং। তিনি জানিয়েছেন, লালকুঠিকে ঘিরে মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ মেনেই কাজ শুরু হয়েছে। শুক্রবারই আর্কিটেক্ট ডেকে সংস্কারের প্রস্তাব চাওয়া হয়েছে। তার প্রস্তাব মেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি লালকুঠির ঠিক পাশেই, জিটিএ-র নিজস্ব জমি রয়েছে, তাতে একটি পূর্ণাঙ্গ টুরিস্ট লজ তৈরি করার উদ্যোগ নিচ্ছে জিটিএ। তার জন্য প্রাথমিক প্রজেক্ট রিপোর্ট তৈরি হয়ে গিয়েছে। তা পাঠানো হয়েছে নবান্নে। সেখান থেকে প্রস্তাব পাস হয়ে এলে টেন্ডার ডেকে দ্রুত কাজ শুরু করে দেওয়া হবে। আগামী মরশুম থেকেই যাতে পর্যটকরা এই আবাসে থাকতে পারেন, তার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। এমনিতেই দার্জিলিংয়ের একাধিক স্থাপত্য হেরিটেজ হিসেবে চিহ্নিত রয়েছে। তার উপর লালকুঠির মত ব্রিটিশ আমলের প্রাচীন স্থাপত্যকে ঘিরে পর্যটনের যে সম্ভাবনা তাকে স্পর্শ করতে পারলে আখেরে লাভ জিটিএ, পর্যটন এবং স্থানীয়দেরই।

লালকুঠির আসল নাম গৌরী ভিলা। যেটি রানি ভবানী দেওয়ান রায়কে উৎসর্গ করে তৈরি করেছিলেন রাজা রায়। রাজা ও রানি একাধিকবার সেখানে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন। যাতে আমন্ত্রণ জানানো হত ব্রিটিশ শাসকদেরও। তাদের ভাল লেগে গিয়েছিল এই ভিলাটি। পরে ১৯৪২ সালে তৎকালীন বৃটিশ সরকার ভিলাটি হস্তগত করে নেয়। ৪৭ সালের পর, ব্রিটিশরা ভারত ছাড়ার পর এটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়েছিল দীর্ঘদিন। এরপর ভারত সরকার এটি অধিগ্রহণ করে। বর্তমানে বাড়িটি দার্জিলিং গোর্খা ইন কাউন্সিল-এর কার্যালয়। এই ভবনটিতে কুড়িটির বেশি বাংলা ও হিন্দি ছায়াছবির শুটিং হয়েছে। লালকুঠি নামে একটি চলচ্চিত্র এই ভিলাতেই শুটিং হয়েছিল। তারপর থেকে এটি লালকুঠি নামে বিখ্যাত হয়ে ওঠে। তার আসল নাম লোকে ভুলেই যান। একাধিক ছায়াছবির শুটিংয়ের সেট বলুন, কিংবা এর হেরিটেজ মূল্য। সব মিলিয়ে লালকুঠির আকর্ষণ এখনো অটুট। যারা দার্জিলিংয়ে আসেন একবার লালকুঠিতে ঢুঁ মারতে ভোলেন না।

[স্কুলে নেতাজির জন্মদিবস পালনে গড়িমসি, শো-কজ প্রধান শিক্ষিকাকে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.