সঞ্জিত ঘোষ, নদিয়া: নদিয়ার বিজয়পুর, বানপুর এলাকায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমি দিয়েও টাকা না পাওয়ার অভিযোগ তুললেন জমিদাতারা। তাঁদের অভিযোগ, জেলা পরিষদের সভাপতির অবহেলার কারণেই মিলছে না টাকা। টাকা না মিললে আগামী দিনে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানিয়েছেন জমির মালিকেরা। এই নিয়ে সরব হয়েছে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি।
নদিয়া জেলায় প্রায় ২১৬ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বাংলাদেশ সীমান্ত রয়েছে। তার মধ্যে এখনও প্রায় ২০.৬১১ কিলোমিটার এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া যায়নি বলে জানা গিয়েছে। ফেন্সিংহীন সীমান্ত রয়েছে কৃষ্ণগঞ্জের বিজয়পুর এলাকাতেও। বছর কয়েক আগে সেই জমিজট কাটিয়ে তা অধিগ্রহণ করে কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু জমিদাতারা এখনও টাকা পাননি বলে অভিযোগ। জেলা পরিষদের খামাখেয়ালিপনায় সেই টাকা আটকে রয়েছে বলে দাবি তাঁদের। এদিকে জমি অধিগ্রহণ করা হলেও এলাকায় কাঁটাতারও বসেনি। এদিকে সেই জমিতে চাষও করতে পারছেন না তাঁরা। ফলে উভয় সংকটে পড়েছেন জমিদাতারা। এই সংখ্যাটা এক বা দুজন নয়। কমপক্ষে ৫০ জন একই সমস্যায় জর্জরিত বলে জানাচ্ছেন বিজয়পুরের এক জমিদাতা দেবাশিস বিশ্বাস।
তাঁর কথায়, “দেশের ও আমাদের নিরাপত্তার স্বার্থে জমি দিয়েছিলাম। তবে টাকা পাইনি।এদিকে জমির রেজিস্ট্রি হয়ে যাওয়ায় আর চাষ করতে পারছি না। জেলা পরিষদের থেকে টাকাও পাচ্ছি না। এবার আইনের আশ্রয় নিতেই হবে।” তৃণমূল পরিচালিত জেলা পরিষদের সভাধিপতির দাবি, এই বিষয়ে তাঁর কিছু জানা নেই। সুতরাং কবে জমির টাকা পাবেন জমিদাতারা, কবেই বা এলাকায় কাঁটাতার বসবে তা নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত নদিয়ার সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা।
সর্বশেষ খবর
-
তেরঙ্গায় বাড়ি সাজানোর প্ল্যান? এই ৬ বিষয় খেয়াল না রাখলে হতে পারে বড়সড় ভুল
-
ডিসট্যান্স কোর্সের দরজা বন্ধ বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে! কারণ হিসেবে কী জানাল ইউজিসি?
-
‘মৌলালি থেকে শিয়ালদহ, সজল উচিত শিক্ষা দিয়েছিল’, ‘দেশদ্রোহী’দের হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
-
কবে থেকে চালু হবে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা, দিনক্ষণ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী
-
সেবাই পরম ধর্ম, অসমের বন্যাদুর্গতদের পাশে যাদবপুরের শ্রীশ্রী কৈবল্যধাম