Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
রেলপথ

শিলান্যাসই সার, রেলপথ তৈরি না হওয়ায় ভোটের আগে ক্ষুব্ধ বাগদাবাসী

অভিযোগ, রেলপথের নামে বাগদাবাসীকে ভাঁওতা দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৪, ২০১৯, ১৪:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৪, ২০১৯, ১৪:২৫

options
link
শিলান্যাসই সার, রেলপথ তৈরি না হওয়ায় ভোটের আগে ক্ষুব্ধ বাগদাবাসী zoom

নিজস্ব সংবাদদাতা, বনগাঁ:  উত্তর ২৪ পরগনারসীমান্তবর্তী ব্লক বাগদার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি রেলপথের। ভোটের আগে রাজনৈতিক দলগুলো রেলপথ তৈরির হাজারও প্রতিশ্রুতি দেয়। ভোট মিটলে অবশ্য তা কার্যকর করার আলোচনাটুকুও বন্ধ হয়ে যায়। এমনই অভিযোগে এবার রীতিমত ক্ষুব্ধ বাগদার বাসিন্দারা৷

মমতা বন্দোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন বাগদাকে রেলপথের সঙ্গে যুক্ত করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেছিলেন বাগদার কয়েক লক্ষ মানুষ। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, রেলপথের জন্য কয়েক বছর আগে জমির মাপ নেওয়া শুরু হয়। কোন পথে যাবে রেললাইন, তা নিয়ে বাগদা-সহ বনগাঁ এলাকার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে আধিকারিকরা মাপজোক শুরু করেন। পরে চাষিদের বাধায় বন্ধ হয়ে যায় সেসব কাজ। কিন্তু সেই সমস্যার কোনও সুরাহা হয়নি। চালু হয়নি রেলপথ তৈরির কাজও।

Advertisement

বাগদা থেকে কলকাতা কিংবা শহরের অন্যান্য জায়গায় যেতে গেলে একমাত্র মাধ্যম বনগাঁ-বাগদা সড়কপথ। বাগদার হেলেঞ্চা-সহ একাধিক এলাকার মানুষদের বিভিন্ন প্রয়োজনে কলকাতা যেতে হয়। এর জন্য প্রথমে বাস ধরে বনগাঁ নামতে হয়। তারপর বনগাঁ স্টেশনে পৌঁছে সেখান থেকে ট্রেন ধরে যেতে হয় কলকাতা।বনগাঁ থেকে যশোর রোড ধরে কলকাতা যেতে হলে সময় লাগে অনেক বেশি লাগে। এছাড়া সমস্যাও হয়  বিস্তর৷ কলকাতা-সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ফেরার পথে বনগাঁ পৌঁছতে রাত দশটা বেজে গেলে বনগাঁ থেকে বাগদা যাওয়ার কোন গাড়ি মেলে না৷ প্রয়োজনে অটো কিংবা অন্য গাড়ি ভাড়া করে অনেক বেশি টাকা খরচ করে তাঁদের ফিরতে হয় বাড়িতে।

[ আরও পড়ুন: আশঙ্কা থাকলেও প্রভাব পড়ল না ফণীর, স্বস্তিতে সু্ন্দরবনবাসী ]

চিকিৎসা, পড়াশোনা-সহ একাধিক প্রয়োজনে বহু ছাত্রছাত্রীকে বাগদা থেকে প্রতিনিয়ত কলকাতার যেতে হয়। রেলপথ না হওয়ার কারণে ক্ষোভও রয়েছে। বাগদা কৃষি প্রধান এলাকা হওয়ায় সেখানে খেতের ফসল শহরে নিয়ে যেতেও সমস্যার সম্মুখীন হন কৃষকরা। এলাকায় কোনও সবজির যোগান বেশি থাকলে যাতায়াতের অসুবিধার কারণে বাধ্য হয়ে কম দামে সবজি বিক্রি করে দেন দালালদের৷ বাগদার এক কৃষক জগদীশ বিশ্বাস বলেন “রেলপথ থাকলে মালবাহী কামরায় সহজে কলকাতায় আমাদের সবজি নিয়ে যেতে পারতাম।”

বাগদার ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তী বলেন, “রেলপথের নামে বাগদার মানুষকে পুরোপুরি ভাঁওতা দেওয়া হয়েছে। শিলান্যাস  করেও  রেল লাইনের কোনও কাজ শুরুই হয়নি৷ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন এই শিলান্যাস করলেও তাঁর মুখে বাগদা রেলপথ নিয়ে কোনও জনসভায় কিছু বলতেও শোনা যায় না।” বাগদার তৃণমূল নেতা অঘোর হালদারের কথায়, “রেলপথ আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটা আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটা হলে আমাদের যাতায়াতের সমস্যা যেমন মিটবে তেমনই চাষিরাও জমির ফসল কলকাতা নিয়ে যেতে পারবেন।” তবে সে দাবি কার হাত ধরে পূরণ হবে, সেই দিশা নেই কারও কাছেই৷ 

[ আরও পড়ুন: ফণীর ছোবলে দেরিতে আসবে বর্ষা, শুখা মরশুমের আশঙ্কা হাওয়া অফিসের ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.