Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Lok Sabha Election 2024

সিপিএমের দাদাগিরি বাগনানে! নিরাপত্তারক্ষীকে মার, TMC বিধায়ককে লক্ষ্য করে লাঠি ছোঁড়ার অভিযোগ

সিপিএম-কংগ্রেসের যৌথ প্রচার মিছিলের পরই হামলার অভিযোগ, আক্রান্ত তৃণমূল বিধায়কের নিরাপত্তারক্ষী ভর্তি হাসপাতালে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০২৪, ১৫:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০২৪, ১৫:০২

options
link
সিপিএমের দাদাগিরি বাগনানে! নিরাপত্তারক্ষীকে মার, TMC বিধায়ককে লক্ষ্য করে লাঠি ছোঁড়ার অভিযোগ zoom

মণিরুল ইসলাম, উলুবেড়িয়া: নির্বাচনী প্রচার ঘিরে রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত উলুবেড়িয়া লোকসভা কেন্দ্রের বাগনান। তৃণমূল বিধায়ক ও তাঁর দলবলের উপর ‘দাদাগিরি’ দেখানোর অভিযোগ সিপিএমের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, বাগনানের তৃণমূল বিধায়ক অরুণাভ সেনের নিরাপত্তারক্ষীকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি আঘাত নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দুপক্ষের গন্ডগোল থামাতে গেলে বিধায়ককে লক্ষ্য করেও লাঠি ছোঁড়া হয়। দুপক্ষই বাগনান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। তার ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।

সোমবার উলুবেড়িয়া (Uluberia) লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বাগনানে (Bagnan) সিপিএম-কংগ্রেসের যৌথ প্রচার ছিল। সেই মিছিলের পর বাগনান কলেড মোড় এলাকায় সিপিএম কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলল তৃণমূল (TMC)। বাগনানের বিধায়ক অরুণাভ সেনের অভিযোগ, তাঁর নিরাপত্তারক্ষীকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। মারধর করা হয়েছে বাগনান বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতিকে এবং আরও ৬ কর্মীকে। বিধায়কের নিরাপত্তার বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি, তাঁর মস্তিষ্কে গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে খবর। অরুণাভ সেনের আরও অভিযোগ, সিপিএমের গোলমাল থামাতে গেলে তাঁকে লক্ষ্য করেই লাঠি চালানো হয়। বোমাবাজির অভিযোগ উঠেছে সিপিএম আশ্রিত দুষ্কৃতদের বিরুদ্ধে। যদিও সিপিএমের বক্তব্য, দুপক্ষের মধ্যে গোলমাল হয়েছে, সিপিএমেরও অনেক কর্মীকে মারধর করা হয়েছে। তৃণমূল সিপিএমের এলাকায় গিয়ে সিপিএমের লোকেদের মারধর করেছে। একজন নিখোঁজ ছিল, পরে তার খোঁজ পাওয়া যায়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ইডেনে মহারাজ-বাদশার আলিঙ্গন, সৌরভের সামনেই শাহরুখের আইকনিক পোজ]

জানা গিয়েছে, সোমবার প্রচার মিছিলের পর খালোড় গ্রাম পঞ্চায়েতের হেতমপুর এলাকার ১৪ নম্বর সংসদে সিপিএমের (CPM) জনা কয়েক কর্মী রড, লাঠি হাতে নিয়ে আচমকাই বাগনান কলেজ মোড় এলাকায় গোলমাল শুরু করে।সেখানে উপস্থিত তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকে। খবর পৌঁছয় খবর যায় বিধায়ক অরুণাভ সেনের কাছে। তিনি সেসময় সবে বাক্সিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা সেরে ফিরেছিলেন। সিপিএমের লোকজন গন্ডগোল করছে, শুনে দ্রুত অরুণাভ সেন সেখান থেকে কলেজ মোড়ে পৌঁছে যান পরিস্থিতি সামলাতে। অভিযোগ, তাঁকে দেখেই সিপিএমের ছেলেরা লাঠিচার্জ করতে থাকে। বিধায়কের সঙ্গে ছিলেন তাঁর নিরাপত্তারক্ষী রাজকুমার মাজি। তিনি বাধা দিতে থাকেন। সেই সময়ে একজন তাঁর মাথায় সজোরে লাঠির আঘাত করে। রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে যান রাজকুমার মাঝি।

অরুণাভ সেনের অভিযোগ, ”এটা সিপিএম এবং বিজেপির একটা যৌথ পরিকল্পনা এলাকাকে অশান্ত করার জন্য। এই এলাকাটি হিন্দু প্রধান এলাকা হলেও তৃণমূলের ঘাঁটি। এটা সিপিএম এবং কংগ্রেস গোলমাল পাকিয়ে বিজেপির হাতে এলাকা তুলে দেওয়ার এটা ষড়যন্ত্র ছিল। যাই হোক, ঠান্ডা মাথায় তৃণমূল বিষয়টা নিয়ন্ত্রণ করেছে। পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়েছে, পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।”

[আরও পড়ুন: ভোটের মুখে রেখা পাত্র-সহ ৬ বিজেপি প্রার্থী পাচ্ছেন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা]

বাগনান ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ সইদুল মীর বলেন, ”খালোড় গ্রাম পঞ্চায়েতের এলাকার ১৪ নম্বর আসনটি সিপিএমের দখলে রয়েছে। আসন জেতার পর থেকেই ওরা এখানে অন্যায় করতে শুরু করে করেছে। তা আজকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে গেল। কলেজ মোড়ে গোলমাল করার পাশাপাশি এলাকায় এসে বোমাবাজি করে এবং লোকেদেরও উপর অত্যাচার করে। স্থানীয় সিপিএম নেতা শেখ শাহাবুদ্দিনের দাবি, ”সিপিএম কংগ্রেসের যৌথ মিছিলে ভয় পেয়ে গেছে তৃণমূল। তার উপর হেতমপুর এলাকাটা সিপিএমের দখলে রয়েছে। ফলে সকলকে ভয় দেখিয়ে পরিস্থিতি নিজের অনুকূলে আনার চেষ্টা করেছেন বিধায়ক। আর সিপিএম কংগ্রেসের যে পরিকল্পনার কথা বলা হচ্ছে, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। আমাদেরই কমপক্ষে জনা দশেক কর্মী, সমর্থককে মারধর করা হয়েছে। একজন নিকট ছিল তাকেও ব্যাপক মারধর করা হয়েছে। পরে রাতে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.