Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Suvendu Adhikari

‘মমতাকে হারাবই’, লোকসভা ভোটে কাঁথি, তমলুক নিয়ে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

খেজুরির সভায় দুই কেন্দ্র তৃণমূলের হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার হুঁশিয়ারি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৩, ২১:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৩, ২১:৪৭

options
link
‘মমতাকে হারাবই’, লোকসভা ভোটে কাঁথি, তমলুক নিয়ে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বছর ঘুরলেই চব্বিশের লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024)। ইতিমধ্যে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে সর্বস্তরে। দিল্লি দখলের লড়াইয়ে বিরোধীরা একজোট হয়ে তৈরি করেছে INDIA জোট। বাংলা নিয়ে অমিত শাহ, জে পি নাড্ডারা প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বকে বৈঠকে ডেকে নানা প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন দিল্লির শীর্ষনেতারা। তৃণমূলও বিয়াল্লিশে ৪২ টার্গেট নিয়ে শুরু ঝাঁপিয়ে পড়েছে লড়াইয়ে। এরই মধ্যে অবশ্য নিজের গড়ে গেরুয়া ঝড় বইয়ে দিতে কাঁথি, তমলুক লোকসভা কেন্দ্রকে নিশানা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবার খেজুরির সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে এই দুই আসন দখলের হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি।

এদিন খেজুরির সভা থেকে শুভেন্দু বলেন, “গত লোকসভা ভোটে কাঁথি এবং তমলুক কেন্দ্রে লক্ষাধিক ভোটে পিছিয়ে ছিল বিজেপি। চব্বিশে উলটো হবে। কাঁথি এবং তমলুক থেকে বিজেপি জিতবে, দুটি জায়গা থেকেই লক্ষাধিক ভোটে হারবে তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাবই।” উল্লেখ্য, কাঁথি(Kanthi) এবং তমলুক (Tomluk) লোকসভা কেন্দ্রের দুই সাংসদ শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারী। সম্পর্কে তাঁরা শুভেন্দুর বাবা এবং ভাই। তাঁরা তৃণমূলের হয়ে ভোটে লড়েই সাংসদ হন।২০২০ সালে শুভেন্দু দলবদলের পর তাঁরাও বিজেপিতে যোগ দেন। তবে দলবদল আইনের গেরোয় জটিলতা রয়েছে শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারীর বিষয়টি। এবার পাকাপাকিভাবে তাঁদের মধ্যে দিয়েই হয়ত দুই আসন বিজেপির (BJP) দখলে আনার পরিকল্পনা অধিকারী পরিবারের।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সাপ ধরতে গিয়ে বিপত্তি, বিষাক্ত গোখরোর ছোবল খেয়ে হাসপাতালে উদ্ধারকারী]

এদিনের সভায় কাঁথি, তমলুক আসন ছিনিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি তৃণমূলকে বুথ শূন্য করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। পঞ্চায়েত ভোটে দলের ব্যর্থতা নিয়ে তাঁর সাফাই, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বসিয়ে রাখার ফলেই এমনটা হয়েছে। রাজ্য পুলিশ শাসকদলের কথামতো ভোট করিয়েছে বলে দাবি শুভেন্দুর। এদিন খেজুরির সভা নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হলেও পরে আদালতের অনুমতিতে সভা করেন বিরোধী দলনেতা। ভিড়ও ছিল ভালই।

[আরও পড়ুন: চন্দ্রযান ৩-র সফল অবতরণের নেপথ্যে অক্লান্ত পরিশ্রম, প্রশংসা কুড়োচ্ছেন বাংলার কৃষক সন্তান]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.