BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে জেমুয়ায় গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ, লাঠিচার্জ পুলিশের

Published by: Tanujit Das |    Posted: April 29, 2019 9:23 am|    Updated: April 29, 2019 10:12 am

An Images

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: চতুর্থ দফার ভোটগ্রহণ শুরু হতেই তীব্র উত্তেজনা আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত জেমুয়ায়৷ প্রায় একঘণ্টারও বেশি সময় পর শুরু হয় ওই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ৷ কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা৷ পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ায় লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হন পুলিশ আধিকারিকরা৷ নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ চলে গ্রামবাসীদের৷ বুথ দখলের অভিযোগ ওঠে সিপিএমের বিরুদ্ধে৷ এলাকার পরিস্থিতি এখনও উত্তপ্ত৷ 

[ আরও পড়ুন: লোকসভা ভোট LIVE: কাজ করছে না তৃণমূলের বোতাম, ভোট দিতে পারলেন না খোদ বিধায়ক]

গ্রামবাসীদের বক্তব্য, গত এক সপ্তাহ ধরে এলাকায় রুটমার্চ করছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ কমিশনের তরফে তাঁদের ভরসা দেওয়া হয়েছিল, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন করানোর৷ কিন্তু সোমবার সকালে ভোটগ্রহণ শুরু হতে জেমুয়ার ভাদুবালা বিদ্যাপীঠে গিয়ে অন্য ছবি দেখতে পান ভোটাররা৷ তাঁরা জানান, ওই স্কুলে সাতটি বুথ রয়েছে৷ তারমধ্যে পাঁচটি বুথে রয়েছে মাত্র পাঁচজন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান৷ জানা গিয়েছে, এই ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের এই চিত্র দেখেই ক্ষিপ্ত হয়ে যান সাধারণ ভোটাররা৷ তাঁদের অভিযোগ, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ওই এলাকায় ব্যাপক সন্ত্রাস হয়েছিল৷ সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল৷ কেউ ভোট দিতে পারেননি৷ ফলে এবার তাঁরা ভোটাধিকার প্রয়োগের আশা করেছিলেন৷ কিন্তু তাঁদের দাবি মেনে বুথে যথেষ্ট পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী দেয়নি কমিশন৷ তাঁদের আশঙ্কা, সকাল গড়িয়ে দুপুর হলেই এলাকার পরিস্থিতি আবারও পঞ্চায়েত ভোটের মতোই হয়ে যাবে৷ সন্ত্রাসের ছায়া নেমে আসবে এলাকায়৷

[ আরও পড়ুন: গণতন্ত্রেই আস্থা, ভোটের আবহে চনমনে শান্তিনিকেতনের ‘ভালবাসা’]

স্থানীয় সূত্রে খবর, বুথের এই চিত্র দেখার পরই ক্ষোভ ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা৷ তাঁরা স্কুলের গেট বন্ধ করে দেন৷ বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বুথের বাইরে৷ আসানসোল-দূর্গাপুরের ডিসি ওয়ান পূর্ব অভিষেক মোদির নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে আসে আসানসোল টাউনশিপ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী৷ তাঁদেরকে ঘিরেও বিক্ষোভ দেখান কয়েকশো গ্রামবাসীরা৷ ঘটনার সময় বুথের ভিতরেই ছিলেন ভোটকর্মীরা৷ এলাকার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যখন সেখানে আসেন দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকের তৃণমূল সভাপতি সুজিত মুখোপাধ্যায়৷ তাঁর অভিযোগ, সিপিএম-বিজেপির উসকানির ফলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়েছে৷ ১১২টা বুথে ভোটগ্রহণ শুরু হয়নি৷ অন্যদিকে, ভোটারদের চপ মুড়ি বিতরণ করে প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠেছে শাসকদলের বিরুদ্ধে। আসানসোল লোকসভার অন্তর্গত লাউদোহা ব্লকের বৈদ্যনাথপুর পঞ্চায়েতের কলেজ পাড়ায় ঘটনাটি ঘটেছে৷ ভোটারদের প্রভাবিত করতেই শাসকদল এই চপ-মুড়ি বিতরণ করছে বলে অভিযোগ করেছে বিজেপি। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতারা৷।

ছবি ও ভিডিও: উদয়ন গুহ রায়

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement