১৯ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  শুক্রবার ৬ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়,দুর্গাপুর: মধ্যপ্রদেশ পুলিশ এবং আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের সহযোগিতায় দুর্গাপুর থেকে গ্রেপ্তার এক সুপারি
কিলার। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্গাপুর থানা এলাকার গোঁসাইনগরের একটি ঘরে বেশ কিছুদিন ধরেই আত্মগোপন করেছিল মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা, পেশায় সুপারি কিলার রঞ্জন রাই৷ মধ্যপ্রদেশে একাধিক খুনের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত এই অভিযুক্ত বলে জানা গেছে।

[আরও পড়ুন: বিয়ের দাবিতে ধরনা প্রেমিকার, অভিযোগের ভিত্তিতে শ্রীঘরে ঠাঁই প্রেমিকের]

বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে এবং মোবাইলের ফোন ট্র্যাক করে অভিযুক্তের হদিশ পায় পুলিশ। মধ্যপ্রদেশ পুলিশ সূত্রে খবর, বিভিন্ন এলাকায় লুকিয়ে ছিল অভিযুক্ত। বেশ কিছু রাজ্য ঘুরে ঠাঁই নেয় দুর্গাপুরে। দফায় দফায় মোবাইল নম্বরও বদল করত সে। মোবাইলের শেষ টাওয়ার লোকেশন নিশ্চিত করেই মধ্যপ্রদেশ পুলিশ দুর্গাপুরে হদিশ পায় রঞ্জনের। মধ্যপ্রদেশে রঞ্জনের একাধিক কুকীর্তিতে রীতিমতো নাজেহাল হচ্ছিল পুলিশ৷ তবে নাগাল পাওয়া যাচ্ছিল না৷ কারণ, অত্যন্ত সুকৌশলে রঞ্জন বারবার তার অবস্থান বদলে ফেলছিল বলে পুলিশ সূত্রে খবর৷

মধ্যপ্রদেশ পুলিশের একটি বিশেষ দল দুর্গাপুরে এসে রবিবার রাতে হানা দেয় গোঁসাইনগরে। সেখান থেকেই গ্রেপ্তার হয় রঞ্জন। সোমবার ওই
বাড়িরই ছাদ থেকে উদ্ধার হয় রঞ্জনের ব্যবহৃত কালো একটি ব্যাগ। তাকে আশ্রয় দিয়েছিল মনোজ গিরি নামে এক ব্যক্তি৷ সেখানে এক মহিলার ওড়না-সহ শেষ খুনের সুপারি নেওয়া টাকাও উদ্ধার করে পুলিশ। আর রঞ্জনকে গ্রেপ্তার করা হয় দুর্গাপুরের হস্টেল নগরী থেকে৷ তবে খুনে ব্যবহৃত অস্ত্রের এখনও হদিশ পায়নি পুলিশ।

[আরও পড়ুন: বর্ধমান স্টেশনের নাম বদলে তীব্র আপত্তি জৈন সম্প্রদায়ের, কেন জানেন?]

এই গ্রেপ্তার সম্পর্কে সোমবার মধ্যপ্রদেশ পুলিশ কিছুই বলতে চায়নি। তবে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের ডিসি–১ (পূর্ব) অভিষেক গুপ্তা জানান, “ ওই সুপারি কিলারকে ধরতে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ আমাদের সাহায্য চেয়েছিল। আমারা তাদের সহযোগিতা করেছি।” মঙ্গলবার ধৃত রঞ্জন রাইকে দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে তুলে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ ট্রানজিট রিমান্ডের আবেদন করবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং