Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Bankura

পরীক্ষাকেন্দ্রে কিশোর, তখনই অগ্নিকাণ্ডে ছাই বাড়ি, বই! মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে নতুন গ্রন্থ কিনে দিল মানবিক পুলিশ

বাঁকুড়ার ওন্দার সান্তোর অঞলের গড় কোটালপুর রবীন্দ্র বিদ্যানিকেতনের ছাত্র অর্পণ ধীবর। বাবা তরুণ ধীবর পেশায় গাড়ি চালক। পরিবারের আর্থিক অবস্থা এমনিতেই টানাটানির।

Advertisement
টিটুন মল্লিক
টিটুন মল্লিক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৭:৩০

link
টিটুন মল্লিক
টিটুন মল্লিক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৭:৩০

options
link
পরীক্ষাকেন্দ্রে কিশোর, তখনই অগ্নিকাণ্ডে ছাই বাড়ি, বই! মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে নতুন গ্রন্থ কিনে দিল মানবিক পুলিশ zoom
মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী অর্পণের হাতে বই তুলে দিচ্ছেন পুলিশ আধিকারিক। নিজস্ব চিত্র

জীবনের বড় পরীক্ষা। ইংরেজি পরীক্ষায় নিজের সবটুকু উজার করে দিচ্ছে পরীক্ষার্থী। পরিবারের দুর্দশা কাটাতে পরীক্ষায় ভালো ফল করতেই হবে। এদিকে পুড়ে যাচ্ছে বাড়ি ঘর, বইপত্র, নোটস। বাড়িতে ফিরে দেখে সব শেষ! অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে বাড়ি। ধ্বংসস্তূপে পোড়া বইয়ের দলা হাতে নিয়ে স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে বাঁকুড়ার অর্পণ। বাকি পরীক্ষা কী করে দেবে, সেই চিন্তায় কোনও তল খুঁজে পাচ্ছিল না সে। অবস্থার কথা শুনে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর পাশে দাঁড়িয়েছে প্রশাসন। রাতারাতি কিনে দেওয়া হল সমস্ত বইপত্র।

বাঁকুড়ার ওন্দার সান্তোর অঞলের গড় কোটালপুর রবীন্দ্র বিদ্যানিকেতনের ছাত্র অর্পণ ধীবর। বাবা তরুণ ধীবর পেশায় গাড়ি চালক। পরিবারের আর্থিক অবস্থা এমনিতেই টানাটানির। সেই অবস্থাতেও পড়াশোনায় দাড়ি টানেনি অর্পণ। তাকে শিক্ষিত করতে চাইছেন তাঁর বাবা-মাও। ওন্দার কালিসেন হাইস্কুলে পরীক্ষাকেন্দ্র পড়েছে অর্পণের। মঙ্গলবার ছেলে পরীক্ষা দিতে যাওয়ায় বাড়িতে ছিলেন মা রীনা দেবী ও ছোট ভাই অনুপম। আচমকা আগুন লাগতেই রীনাদেবী ছোট ছেলেকে নিয়ে কোনও রকমে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন। প্রাণে বাঁচলেও বাড়ি রক্ষা করতে পারেননি। আগুনে পুড়ে যায় আসবাবপত্র, জামাকাপড়, জরুরি কাগজপত্র। সবচেয়ে বড় ক্ষতি, অর্পণের পড়াশোনার সব বই ও খাতা। গ্রামের মানুষ সাবমার্সিবেল পাম্প থেকে জল এনে অনেক চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আশপাশের বাড়ি রক্ষা পেলেও অর্পণের ঘর কার্যত ভস্মীভূত।

Advertisement

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যান ওন্দা থানার পুলিশ ও প্রশাসনের প্রতিনিধিরা। অর্পণ যাতে বাকি পরীক্ষাগুলি ভালো করে দিতে পারে, সেই বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। গ্রামবাসীদের আবেদন, জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও সহৃদয় মানুষ এগিয়ে এলে অর্পণের পড়াশোনার লড়াইটা অন্তত থেমে যাবে না। প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.