Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Mamata Banerjee

দুর্গাপুরে আচমকা কাউন্সিলরদের সঙ্গে বৈঠক, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ভুলে একযোগে কাজের বার্তা মমতার

বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু অনুগামী বোরো চেয়ারম্যান চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৯, ২০২০, ১৭:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৯, ২০২০, ১৭:১২

options
link
দুর্গাপুরে আচমকা কাউন্সিলরদের সঙ্গে বৈঠক, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ভুলে একযোগে কাজের বার্তা মমতার zoom
ছবি: উদয়ন গুহ রায়

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: মেয়রের কাজ নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছিলেন আগেই। এবার নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ভুলে উন্নয়নের স্বার্থে কাউন্সিলরদের একসঙ্গে চলার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বুধবার দুর্গাপুর থেকে বনগাঁ উড়ে যাওয়ার ঠিক আগে ভগৎ সিং ক্রীড়াঙ্গনে দুর্গাপুরের প্রতিটি কাউন্সিলরকে জরুরি তলব করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে ছিলেন আইন মন্ত্রী মলয় ঘটক এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলার শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি তথা বিশ্বনাথ পাড়িয়াল, পশ্চিম বর্ধমান জেলার সহ সভাপতি উত্তম মুখোপাধ্যায়। জরুরি বৈঠকে উল্লেখযোগ্যভাবে অনুপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু অনুগামী বোরো চেয়ারম্যান চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, বৈঠক খুব হালকা মেজাজে হলেও উপস্থিত বেশ কিছু কাউন্সিলরকে মুখ্যমন্ত্রী ধমকও দিয়েছেন।

মেয়র দিলীপ অগস্তিকে প্রতিটি কাউন্সিলরদের (Councillor) ৫টি করে ছোট ছোট কাজ নিয়ে তা করতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বড় কাজের তালিকা তৈরি করে তা মন্ত্রী মলয় ঘটকের হাত দিয়ে তাঁকে পাঠানোর নির্দেশও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এ ব্যাপারে মেয়র দিলীপ অগস্তি জানান, “মুখ্যমন্ত্রী কাজের দায়িত্ব দিয়েছেন। বড় কাজের তালিকা প্রস্তুত করে মলয় ঘটককে দিতে বলেছেন। তাঁর নির্দেশ মেনেই কাজ করব।” শ্রমিক সংগঠনে কাজ করতে পারছেন না বলে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অব্যাহতি চান বিধায়ক। তিনি মলয় ঘটককে দায়িত্ব দেন সবাইকে নিয়ে আলোচনা করে যে সমস্ত সমস্যা আছে সেগুলো মিটিয়ে নিতে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নব্বই সাল থেকে সিপিএমের হাতে মার খেয়ে খেয়ে কোমর ভেঙে গেছে। হাত ভাঙা আছে। এখন যারা ছোট তারা জানো না। তোমরা একসঙ্গে কাজ করো।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: গুরুচাঁদ-হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মতিথিতেও এবার ছুটি ঘোষণা রাজ্য সরকারের]

সূত্রের খবর, তিনি নির্দেশ দিয়েছেন কারখানাগুলোতে যাতে স্থানীয় বেকার যুবকদের চাকরি হয় সেই বিষয়টি দেখতে। মেয়র পারিষদ সদস্য প্রভাত চট্টোপাধ্যায়কে আসানসোল সংগঠন নিয়ে ফের সতর্ক করেন মুখ্যমন্ত্রী। এলাকার উন্নয়ন নিয়ে যেন আসানসোল-দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদ এবং দুর্গাপুর নগর নিগম যৌথভাবে দুর্গাপুর শহরের বিভিন্ন কাজ করে সে নির্দেশও দেন। যেমন, রাস্তা, জল, আলো, নিকাশি সমস্যার দ্রুত সমাধান করা। দুর্গাপুর নগর নিগমে ট্রেড লাইসেন্স বা অন্যান্য কাজ যেন বাকি না থাকে সে বিষয়ে দুর্গাপুরের মেয়রকে বলেন। এবং ওই আলোচনা থেকেই দুর্গাপুরের প্রাক্তন মেয়র তথা বিধায়ক অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের সাথে ফোনে কথা বলে পুরনো দ্বন্দ্ব ভুলে গিয়েে ফের সক্রিয় হয়ে ময়দানে নামার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কাউন্সিলরদের সঙ্গে প্রায় মিনিট পনেরোর বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী কয়েকজন কাউন্সিলরের সঙ্গে ঠাট্টাও করেন। বৈঠকে অনুপস্থিত নিয়ে শুভেন্দু অনুগামী চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, “আমি দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকায় আসতে পারিনি।”

[আরও পড়ুন: ‘কোনও ভুল করে থাকলে ক্ষমা করবেন, মনটা খারাপ হয়ে গেল’, বনগাঁর সভায় ব্যথিত মমতা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.