সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের অনুব্রত মণ্ডলের প্রশংসায় তৃণমূল সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। একাধারে তাঁকে ‘মাটির ছেলে’ বলে দরাজ সার্টিফিকেট দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। অন্যদিকে বলে রাখলেন, অনুব্রত ছিলেন বড় মনের মানুষ। তাঁর কাছে হাত পাতলে কোনও গরিব মানুষ খালি হাতে ফিরতেন না। সবমিলিয়ে বোলপুরের তৃণমূল প্রার্থী অসিত মালের প্রচারে গিয়ে ফের একবার কেষ্টর নাম উঠে এল মমতার বক্তব্যে।
বুধবার বোলপুরের দলীয় প্রার্থীর প্রচারে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পূর্ব বর্ধমানের কয়েকটি অঞ্চল বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের অধীনে। সেই প্রচার সভা থেকে জেলবন্দি জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রতকে দরাজ সার্টিফিকেট দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাঁর কথায়, “মাটির ছেলে কেষ্ট। আপনারা ওকে কত ভালোবাসতেন। ওর কী অগুণ আছে জানি না। কেসে কী আছে জানি না। সেটা আইন আইনের পথে চলবে। কিন্তু একটাও গরিব লোক ওর সামনে দাঁড়ালে ও ফিরিয়ে দিত না।”
[আরও পড়ুন: ২০১৭ সালের টেটের প্রশ্নে আদৌ ভুল ছিল? জানতে বিশেষ কমিটি গঠন হাই কোর্টের]
বীরভূমে চলত অনুব্রতর আধিপত্য। এদিন সেকথাও মনে করিয়ে দিলেন মমতা। বললেন, “জেলাটা ছিল ওঁর হাতের মুঠোয়। আমি প্রশাসনিক রিভিউ মিটিংয়ে দেখতে পেতাম, ও কীভাবে কাজ করত।” একইসঙ্গে বিরোধীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তিনি। মমতার দাবি, “প্রতি ইলেকশনে ওকে নজরবন্দি করে রাখত। যাতে ইলেকশনের দিন বেরতে না পারেন।” এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার বাড়িতে ইডি তল্লাশির কথাও বলেন তিনি। মমতার কটাক্ষ, “চাঁদুর বাড়িতেও রেড করল। রেড করেই বলছে, হয় বিজেপিকে ভোট দাও নাহলে ইডির কাছে যাও।”
প্রসঙ্গত, গরু পাচার মামলায় আপাতত তিহাড় জেলে রয়েছেন তৃণমূলের দাপুটে নেতা অনুব্রত। এবার লোকসভা ভোটে তিনি জেলায় না থেকেও যে প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ১০০ শতাংশ রয়েছেন, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল এদিন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচার সভায়। ‘
[আরও পড়ুন: ভোটের মাঝে ৫ কোটি টাকা চেয়ে উদয়ন গুহকে চিঠি KLO’র, তুমুল চাঞ্চল্য]
সর্বশেষ খবর
-
শনি-রবি শিয়ালদহ ডিভিশনে বাতিল একাধিক লোকাল, তালিকায় কোন কোন ট্রেন?
-
টিআরপিতে বিরাট রদবদল! বেঙ্গল টপার ‘জোয়ার ভাঁটা’, সেরা দশে কোন কোন বাংলা মেগা?
-
‘নব্য তৃণমূলে’র উত্থানে ৫ জেলায় লন্ডভন্ড ঘাসফুল! কে কোন দিকে গেলেন?
-
‘কালা হিরণ’ ঘোষণা হতেই মুণ্ডচ্ছেদের হুমকি! সলমনের আইনি নোটিস ছিঁড়ে পালটা চ্যালেঞ্জ প্রযোজকের
-
দলে কথা বলার সুযোগ পাননি! ভোটে হেরে রাজনৈতিক সন্ন্যাসের সিদ্ধান্ত প্রাক্তন মন্ত্রী স্নেহাশিসের