Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Mamata Banerjee

‘ঝগড়া কোরো না’, পাহাড়ের প্রশাসনিক বৈঠকে দলীয় সাংসদকে ‘ধমক’ মুখ্যমন্ত্রীর

পাহাড়ের সকলকে একসঙ্গে নিয়ে চলার পরামর্শ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৬, ২০২১, ১৭:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৬, ২০২১, ১৭:৪৫

options
link
‘ঝগড়া কোরো না’, পাহাড়ের প্রশাসনিক বৈঠকে দলীয় সাংসদকে ‘ধমক’ মুখ্যমন্ত্রীর zoom

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: প্রশাসনিক বৈঠক চলাকালীন প্রকাশ্যেই সাংসদ শান্তা ছেত্রীকে ধমক দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। পাহাড়ের সকলকে একসঙ্গে নিয়ে চলার পরামর্শ দিলেন তিনি। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ, “কারোর সঙ্গে ঝগড়া করবে না। সকলকে নিয়ে চলতে হবে।”

মঙ্গলবার কার্শিয়াঙে প্রশাসনিক বৈঠক ছিল। সেখানে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শান্তা ছেত্রী (Shanta Chetri) -সহ হাজির ছিলেন অনীত থাপা, রোশন গিরিরা। সেই বৈঠক থেকেই মুখ্যমন্ত্রী শান্তা ছেত্রীকে বলেন, “অনীত থাপা আমাদের বন্ধু, ওঁদের সঙ্গে ঝগড়া নয়”। এরপরেই তৃণমূলনেত্রীর বার্তা, “শান্তা, দলের একটা শৃঙ্খলা রয়েছে। অনীতদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করবে না। পাহাড়ের পার্টি আছে তাঁদের মতো। আমরা কারও সঙ্গে ঝগড়া করব না।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: GTA নির্বাচন, ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থা, পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধানের পথে মুখ্যমন্ত্রী]

প্রসঙ্গত, জিটিএ-তে অনীত থাপার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরনা দিয়েছিলেন শান্তা। এছাড়াও একাধিক ক্ষেত্রেও দুর্নীতির অভিযোগ এনেছেন রাজ্যসভার সাংসদ।  পালটা তাঁর বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এমনকী, এ নিয়ে সুব্রত বক্সিকে চিঠিও লিখেছিলেন শান্তা।উত্তরবঙ্গ সফরের প্রথমদিন থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চাইছিলেন তিনি। এদিন প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির ছিলেন শান্তা।

সেখানে তাঁর উদ্দেশে মমতা বলেন, “শান্তা সাংসদ হয়ে ঝগড়া কোরো না। কাউন্সিলর নির্বাচনে হেরে গিয়ে সাংসদ হয়েছ। ধরনা দেব, এ আবার কী?” এরপরই তৃণমূল নেত্রীর প্রশ্ন, “তুমি অনীতের বিরুদ্ধে বিবৃতি দিতে গেলে কেন?” শেষে দলের রাজ্যসভার সাংসদকে মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ, “কেউ জিজ্ঞেস করলে বলবে আমরা সবাই এক। একসঙ্গে পাহাড়ের উন্নতি করব।”

পাশাপাশি এদিন জিটিএ-র প্রিন্সিপাল সেক্রেটারির হাত থেকে জিটিএ পরিচালনার ক্ষমতা সরিয়ে নেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন এবং জিটিএ একসঙ্গে সামলাতে সমস্যা হচ্ছে। একটা দায়িত্ব ছাড়।” বদলে সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দার্জিলিংয়ের জেলাশাসকের হাতে।

[আরও পড়ুন: দার্জিলিংয়ে ‘সোনার খনি’ আছে, কাজে লাগাতে হবে! বিপুল কর্মসংস্থানের হদিশ দিলেন মমতা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.