Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

‘৭% বাম ভোটার তৃণমূলকে সমর্থন করুন’, বিজেপিকে আটকাতে অনুরোধ মমতার

‘দড়ি কখন গুটোতে হয় জানি’, সব্যসাচী দত্তকে হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০১৯, ০৯:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০১৯, ০৯:২২

options
link
‘৭% বাম ভোটার তৃণমূলকে সমর্থন করুন’, বিজেপিকে আটকাতে অনুরোধ মমতার zoom

স্টাফ রিপোর্টার: বিজেপিকে ঠেকাতে এবার বামেদের পক্ষে যাওয়া সাত শতাংশ ভোটের সমর্থন চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বললেন, “বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বিজেপির বিরুদ্ধে। আমার সেই জন্য তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা আছে। এবার লোকসভা ভোটে বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন সিপিএম-এর লোকেরা। তবে যে সাত শতাংশ মানুষ এখনও বামেদের সমর্থন করেছেন, তাঁদের বলব তৃণমূলে আসুন।যা সমস্যা সব আমরা দেখে দেব। দয়া করে কেউ বিজেপিতে যাবেন না। এই মানুষরাই প্রকৃত বামপন্থী।”

[ আরও পড়ুন: বাবার উপর নারকীয় অত্যাচারের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২ ছেলে]

Advertisement

বৃহস্পতিবার এক বেসরকারি চ্যানেলে এমনই তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য রাখার পাশাপাশি মমতা চ্যালেঞ্জের সুরে বলেছেন, “বিজেপিকে এ ক’দিনেই মানুষ চিনে গিয়েছে। ক্ষমতায় না আসতেই আসল চেহারা বেরিয়ে গিয়েছে। মানুষ বুঝছে, কাকে দেওয়া হয়েছে রাজার পার্ট।” মমতা বলেন, “২০০৯ সালে আমরা জিতেছিলাম। কিন্তু কিছু করিনি। আর এবার ক’টা আসন জিতে বিজেপি সন্ত্রাস করছে রাজ্যে। এগারোজন মানুষ খুন হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তৃণমূলের ন’জন। বিজেপির দু’জন। তা-ও বিজেপির দু’জন নিহত হয়েছেন তৃণমূল কর্মী আক্রান্ত হওয়ার পর।” একদিকে যখন আইনশৃঙ্খলাকে ইস্যু করে কোনও কোনও বিজেপি নেতা এরাজ্যে ৩৫৬-র প্রয়োজন আছে বলে মন্তব্য করেছেন, তখন মমতার আরও যুক্তি, “আমি তো ক্ষমতায় আছি। আমি কেন সন্ত্রাস করব? শাসক দল কখনও সন্ত্রাস করে?” মমতা আরও বলেন, “বাংলার দিকে নজর ঘোরানো হচ্ছে। গুজরাত, উত্তর প্রদেশে কী হচ্ছে কেউ দেখায় না। পঁচিশজন যাদবকে খুন করা হয়েছে। এই রাজ্যে পুরো মিথ্যা প্রচার করা হচ্ছে। মদ খেয়ে মরে যাচ্ছে, আত্মহত্যা করছে, তা-ও তাকে শহিদ বানিয়ে দেওয়ার হচ্ছে।” রাজ্যপালের সর্বদল প্রশ্নে মমতার বক্তব্য, “সর্বদল ডাকার মতো পরিস্থিতি এখনও হয়নি।”

এদিকে দলবদল প্রসঙ্গেও মমতা বলেন, “আমাদের দলে দু’একজন গদ্দার ছিল। যারা কিছু পচা লোককে নিয়ে এসেছিল। তখন আমি দলটা দেখতাম না। সেই খেসারদ দিতে হচ্ছে। তারাই চলে যাচ্ছে। গেলে খুব ভাল। আমার দলটা বাঁচে। টাকা দিয়ে এমএলএ কেনার চেষ্টা হচ্ছে। পেট্রোল পাম্প দিয়ে দেব বলা হচ্ছে। উত্তরবঙ্গের বিধায়কদের টাকার অফার দেওয়া হয়েছে। আমি টাকার সঙ্গে পারব না। যার ইচ্ছা যেতে পারে। বাপে খেদানো মায়ে খেদানো সেই সব ছেলেদেরই আমি চাই, যারা ভালবেসে দলটা করবে।” এই প্রসঙ্গেই বিধাননগরের মেয়র সব্যসাচী দত্তর মন্তব্য নিয়ে প্রশ্নে মমতা বলেন, “আমরা কাউকে তাড়াব না। দড়ি কখন ছাড়তে হয়, আবার গুটিয়ে নিতে হয়, আমরা জানি। ও চাইলে দল করতে পারে।” মমতা এদিন অভিযোগ করেন, “বিজেপির ২৩টি আসনই পাওয়ার কথা ছিল। কারণ ওই ২৩টি আসনের ইভিএম-এ আগে থেকে প্রোগ্রামিং করা ছিল। আমরা বেশি ভোট পেয়ে যাওয়ায় জিতে গিয়েছে। গোটা দেশে এইভাবে ৩০০ আসন জিতেছে বিজেপি। আমরা এই নিয়ে ২৩টি পার্টি সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছি। কিন্তু আমাদের বক্তব্য শোনা হয়নি।”

[ আরও পড়ুন: টোটোয় ফেলে আসা গয়না প্রাপ্তি যাত্রীর! নজর কাড়ল চালকের সততা ]

মমতা বলেন, “এমন একটা ভাব করা হচ্ছে বিজেপি যেন জিতে গিয়েছে। এখনও আমাদের মেজরিটি আছে। তবে ওই আঠারো আসনে ভোট না দিয়ে আমাদের টনক নড়িয়েছেন মানুষ। এর জন্য আমি কৃতজ্ঞ। ২০২১ আমরা জিতে নেব।” হিন্দুত্ব ইস্যুতে মমতা বলেন, “হিন্দু-মুসিলম নিয়ে আমরা ভেদাভেদ করি না। তাছাড়া হিন্দুরা সহনশীল। তারা কাউকে আক্রমণ করে না। আমাকে ড্রাকুলা সাজানো হয়েছে। বলছে আমি নাকি হিন্দুদের রক্ত খাই। ধর্ম নিয়ে আমায় জ্ঞান দেওয়ার দরকার নেই। আমি রোজ সকালে চণ্ডীপাঠ করে রাস্তায় বের হই। বিজেপির এই রাজনীতি বাংলায় চলবে না।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.