Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Mamata Banerjee

মমতার ‘বহিরাগত’ অভিযোগ প্রমাণিত! কালিয়াচক কাণ্ডে মিম নেতার গ্রেপ্তারিতে সিআইডি-কে কৃতিত্ব

বুধবার রাতে মালদহের কালিয়াচকে এসআইআরের কাজে যাওয়া জুডিশিয়াল অফিসারদের আটকে রাখে উত্তেজিত জনতা। এই ঘটনায় পালানোর সময় গ্রেপ্তার হয় মিম নেতা মোফাক্কেরুল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩, ২০২৬, ১৪:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩, ২০২৬, ১৪:৩১

options
link
মমতার ‘বহিরাগত’ অভিযোগ প্রমাণিত! কালিয়াচক কাণ্ডে মিম নেতার গ্রেপ্তারিতে সিআইডি-কে কৃতিত্ব zoom
কালিয়াচকের অশান্তিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ সত্যতা প্রমাণিত।

ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদের প্রতিবাদে কার্যত নজিরবিহীন অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছিল মালদহের কালিয়াচকে। বুধবার রাতে এসআইআরের কাজে যাওয়া জুডিশিয়াল অফিসারদের রাতভর আটকে রাখে উত্তেজিত জনতা। ভোটের মুখে এহেন অশান্তি বড় ধাক্কা নির্বাচন কমিশনের কাছে। কারণ, এই মুহূর্তে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার ভার কমিশনের। তাই সুপ্রিম কোর্ট কমিশনকেই কাঠগড়ায় তোলে। তবে মালদহের এই অশান্তির নেপথ্যে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) হায়দরাবাদের ‘হাঁদা’ দল মিম এবং মুর্শিদাবাদের ‘ভোঁদা’ দল হুমায়ুন কবীরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টিকে দায়ী করেছিলেন।

এনআইএ-র হাতে গ্রেপ্তার মিম নেতা মোফাক্কেরুল ইসলাম। নিজস্ব ছবি

তাঁর সেই অভিযোগ যে নিতান্ত মিথ্যে নয়, তার প্রমাণ মিলল শুক্রবার সকালে। এদিন কালিয়াচকে অশান্তির ঘটনায় অভিযুক্ত মিম নেতা মোফাক্কেরুল ইসলাম পালানোর সময় বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার হন। এর নেপথ্যে অবশ্য সিআইডি-কে কৃতিত্ব দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এনআইএ-কে খোঁচা দিয়ে বললেন, ”আসল কালপ্রিটকে গ্রেপ্তার করেছে আমাদের সিআইডি। এনআইএ-র আগে রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা এই কাজ করে ফেলল। এখন তো আমাদের হাতে কিছু নেই। তবু আমাদের অফিসারার দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছেন।”

Advertisement

তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, ”একটা কথা আজ বলছি সবাইকে, শুনে রাখুন। মালদহে যারা সেদিন অশান্তি করেছিল, জুডিশিয়াল অফিসারদের আটকে রেখেছিল, সেটা খুবই অন্যায় হয়েছে। কিন্তু এই অশান্তির পিছনে যারা দায়ী, যে মূল অভিযুক্ত তাকে কিন্তু ধরেছে আমাদের সিআইডি। বাগডোগরা বিমানবন্দর দিয়ে পালাচ্ছিল, মুম্বই থেকে এসেছিল। আমি বলেছিলাম, বহিরাগতদের ঢুকিয়ে এখানে অশান্তি করানো হয়েছে। গ্রেপ্তার তো হল মিমের নেতা।” 

এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, বছর তিন আগে দিল্লিতে দাঙ্গার পর কট্টরপন্থী ইসলামির সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া বা পিএফআই-এর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কেন্দ্র। তাদের সমস্ত অর্থ সাহায্য বন্ধ করা হয়েছিল। সেসময় মিম সুপ্রিমো আসাদউদ্দিন ওয়েইসির ব্যক্তিগতভাবে এর বিরোধিতা করেছিলেন। অর্থাৎ মিম যে দেশে অশান্তির নেপথ্যে ইন্ধন জোগায়, তা বোঝা গিয়েছিল সেই সময় থেকেই। এবার ভোটের আগে বঙ্গে এসআইআর নিয়ে এত অশান্তিতে সেই মিম নেতার গ্রেপ্তারি তার সুস্পষ্ট প্রমাণ। 

শুক্রবার দক্ষিণ দিনাজপুরের হরিরামপুর বিধানসভা কেন্দ্রে দলীয় প্রার্থী, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রের সমর্থনে জনসভা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই জনতার উদ্দেশে বলেন, ”একটা কথা আজ বলছি সবাইকে, শুনে রাখুন। মালদহে যারা সেদিন অশান্তি করেছিল, জুডিশিয়াল অফিসারদের আটকে রেখেছিল, সেটা খুবই অন্যায় হয়েছে। কিন্তু এই অশান্তির পিছনে যারা দায়ী, যে মূল অভিযুক্ত তাকে কিন্তু ধরেছে আমাদের সিআইডি। বাগডোগরা বিমানবন্দর দিয়ে পালাচ্ছিল, মুম্বই থেকে এসেছিল। আমি বলেছিলাম, বহিরাগতদের ঢুকিয়ে এখানে অশান্তি করানো হয়েছে। গ্রেপ্তার তো হল মিমের নেতা।” 

এরপর তাঁর আবেদন, ”আপনারা সবাই দেখে রাখুন। যাতে ভোটের সময় এরকম কেউ বাইরে থেকে ঢুকে না পড়ে। বেআইনি অর্থ, অস্ত্র যেন না আসে। বাংলার শান্তিপূর্ণ ভোটের পরিবেশকে অশান্ত করতে এসব ছক চলছে। মনে রাখবেন, এখন আমার হাতে কিছু নেই। সব কমিশন কেড়ে নিয়েছে। ওদের পছন্দমতো সব পুলিশ অফিসারদের নিয়ে এসেছে। তবে এটা কয়েকদিনের জন্য। ভোটের পর আমরা সব আবার বুঝে নেব। ততদিন আপনারা একটু দেখবেন।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.