BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

জনগণের পাহারাদার হয়েই কাজ করে যেতে চাই: মমতা

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: June 28, 2016 8:58 am|    Updated: June 28, 2016 8:58 am

An Images

কিংশুক প্রামাণিক: ”আমি মানুষের পাহারাদার হয়েই থাকব৷ মানুষের যদি ভাল হয়, তবে আমাদেরও ভাল হবে৷” বিশাল জয়ের পর প্রথম উত্তরবঙ্গ সফরে এসে এই বার্তাই দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তিনি আরও বলেছেন, ”যত আশীর্বাদ দেবেন, তত আমরা কাজ করব৷ কথা দিলে কথা রাখি৷ উত্তরবঙ্গের ছেলেরা যাতে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে সেই কাজই করছি৷”
দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার পর শুরু হয়ে গিয়েছে তাঁর জেলা উন্নয়ন সফর৷ সোমবার মমতা এলেন আলিপুরদুয়ারে৷ ২৫ জুন আলিপুরদুয়ার জেলার বর্ষপূর্তি হয়েছে৷ সেই উপলক্ষে বিশাল সভায় তিনি আবার স্পষ্ট করে দেন, তাঁর সরকারের অভিমুখ মানুষই৷ দশ হাজার মানুষের হাতে নানা পরিষেবা প্রদানের মধ্য দিয়ে মমতার বার্তা, “নির্বাচন ছিল বলে কাজ থমকে ছিল৷ আবার তা শুরু হয়ে গিয়েছে৷ ভোটের আগে যে কথা দিয়েছিলাম সেই প্রতিশ্রুতি আজ রক্ষা করলাম৷”
এই আলিপুরদুয়ার, এই বৃষ্টিস্নাত চা বাগান, এই ঢেউ খেলানো বিস্তৃত সবুজ প্রান্তর ছিল এক সময়ের লাল দুর্গ৷ আজ সেখানে সিপিএমের চিহ্ন নেই৷ আলিপুরদুয়ারের পাঁচটি আসনের চারটি তৃণমূলের হাতে৷ একটি বিজেপির৷ অন্যদিকে জলপাইগুড়ির সাতটি আসনের মধ্যে ছ’টি তৃণমূলের, একটি কংগ্রেসের৷ অর্থাত্‍ অবিভক্ত জলপাইগুড়ির ১২টি আসনের মধ্যে ১০টি তৃণমূলের৷ এই বিশাল জয় বলে দিচ্ছে, তরাই-ডুয়ার্স এখন কার হাতে!
স্বভাবতই প্রতিশ্রুতি পূরণ করতেই বাগডোগরা এয়ারপোর্ট থেকে এদিন প্রায় চার ঘণ্টা সড়কযাত্রা করে আলিপুরদুয়ারে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী৷ সফরসঙ্গী পূর্ত ও যুবকল্যাণমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল৷ ক’দিন ধরে বৃষ্টিতে ভেসে যাচ্ছে উত্তর৷ নদী-নালা ফুলেফেঁপে রয়েছে৷ বৃষ্টি ধুয়ে আরও সবুজ হয়ে উঠেছে যেন চা বাগান৷ চারিদিকে সবুজের জয়গান৷ মমতার মন খুব ভাল৷ সারা বাংলার মতো জলপাইগুড়ি-আলিপুরদুয়ারের মানুষও তৃণমূলের পাশে৷ এদিন তাই মঞ্চ থেকে ফের একগুচ্ছ প্রকল্পে ভরিয়ে দিলেন গোটা আলিপুরদুয়ারকে৷ শুধু কি তাই, সন্ধ্যা সাতটায় মঞ্চে উঠে তিনি খেয়াল করেন, তখনও অপেক্ষায় স্কুলের বাচ্চারা৷ তাদের দেখেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “খুব কষ্ট করে এরা রয়েছে৷ খুব কষ্ট করেছে আজকে৷ কালকের দিনটা স্কুল ছুটি দিলে কেমন হয়?” আলিপুরদুয়ারের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আজ, মঙ্গলবার স্কুলে ছুটির জন্য ডিএমকে নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী৷
মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানান, গত পাঁচ বছর ৯০ শতাংশ মানুষের কাছে কিছু কিছু না পরিষেবা তাঁর সরকার পৌঁছে দিতে পেরেছে৷ তা সম্ভব হয়েছে নিয়মিত জেলাভিত্তিক প্রশাসনিক বৈঠকগুলির মধ্য দিয়েই৷ মুখ্যমন্ত্রী জানান, নতুন যে জেলাগুলি হবে তার প্রতিটিতে একটি করে প্রশাসনিক ভবন তৈরি হবে৷ সেখানে ৩৬টি করে দফতর থাকবে৷ প্রতিটি দফতর থাকবে একই ছাতার তলায়৷ আজ, মঙ্গলবার হাসিমারাতে আলিপুরদুয়ার জেলার প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মমতা৷ তাঁর সরকারের ১২৯তম বৈঠক৷ পর দিন উত্তরকন্যায় দার্জিলিং-জলপাইগুড়ি-কোচবিহার জেলার প্রশাসনিক বৈঠক হবে৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement