নিজস্ব সংবাদদাতা, বহরমপুর: প্রথম সন্তান সম্ভবা হলেই মায়েরা এবার হাতে পাবেন হাজার টাকা। আধার কার্ড-সহ নিজস্ব ব্যাঙ্ক আকাউন্ট থাকলেই তিন কিস্তিতে সব মিলিয়ে তাঁরা হাতে পাবেন মোট পাঁচ হাজার টাকা। নবাগত সন্তানদের রক্ষনার্থে ‘বাংলা মাতৃপ্রকল্প’-এ চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এই প্রকল্পের আওতায় এসেছেন প্রসূতিরা। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই প্রথম সন্তান সম্ভবা মায়েদের নাম এই প্রকল্পে নথিভুক্তকরণের কাজ শুরু করেছে মুর্শিদাবাদ জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। ইতিমধ্যে কয়েক হাজার নাম নথিভুক্তও করা হয়েছে।
[খোঁজ নেয়নি আত্মীয়রা, ১৭ বছর হাসপাতালে থেকেই মৃত্যু বৃদ্ধের]
মুর্শিদাবাদ জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক নিরুপম বিশ্বাস এ সম্পর্কে জানিয়েছেন, প্রথম সন্তান সম্ভবা মায়েদের সরকারি প্রকল্পের সুযোগ দিতে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে যে মায়েরা প্রথম সন্তান জন্ম দিতে চলেছেন বা গর্ভবতী হয়েছেন তাঁরা এই প্রকল্পের আওতায় পড়বেন। তাই তাঁরা যেন অবিলম্বে কাছের স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিজেদের নাম লেখান। এজন্য দপ্তর থেকে জেলাজুড়ে প্রচারও শুরু করা হয়েছে। টাকা হাতে পাওয়ার নিয়ম প্রসঙ্গে মুর্শিদাবাদ জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক (ডেপুটি-থ্রি) অসীম প্রামানিক জানান, ‘নতুন সন্তান জন্মানোর ক্ষেত্রে মায়েরা গর্ভবতী অবস্থায় স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নাম নথিভুক্ত করবেন। নাম নথিভুক্ত করার কয়েক সপ্তাহ পরই প্রথম কিস্তিতে এক হাজার টাকা পাবেন। এর পর শিশু জন্মানোর ১৪ সপ্তাহ পর নবজাতকের চেক আপের পর নথিপত্র দাখিলের ভিত্তিতে দ্বিতীয় কিস্তির দু’হাজার টাকা পাবেন। এই টাকার জন্য শিশু জন্মানোর ছ’ মাস পর্যন্ত ক্লেম বা আদায়ের দাবি করতে পারবেন মায়েরা। আর শিশুর জন্মের এক বছর পর্যন্ত সমস্ত টিকাকরণ-সহ সরকারি পরিষেবা পাওয়ার পর শেষ কিস্তিতে দু’হাজার টাকা পাবেন প্রথম সন্তানের মায়েরা। শুধুমাত্র তাঁদের আধার কার্ড ও মায়ের নিজের নামে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকা বাধ্যতামূলক।’
[তামিলনাড়ুতে বাঙালি শ্রমিকের রহস্যমৃত্যু, দুর্ঘটনা মানতে নারাজ পরিবার]
জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্র আরও জানা গিয়েছে, জেলায় সমস্ত উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র, সরকারি হাসপাতালে এজন্য নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন মায়েরা। সরকারি হাসপাতাল তো বটেই এমনকি সরকার অনুমোদিত আয়ুস্মতী প্রকল্পের নিয়ন্ত্রনাধীন নার্সিংহোমগুলিতেও শিশু জন্মালে এই সুযোগ মিলবে। উন্নয়নের নিরিখে রাজ্যের জেলাগুলির মধ্যে পিছিয়ে পড়া মুর্শিদাবাদ জেলায় এই মুহূর্তে জনসংখ্যা প্রায় ৮০ লক্ষ। জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে প্রতি বছর গড়ে দেড় লক্ষ শিশু জন্মায়। এর মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ৮৫ হাজারই প্রথম সন্তান। দেশের অন্যান্য রাজ্যের মতো পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদেও এই বিপুল পরিমাণ প্রথম সন্তান জন্মানোর আগেই তাঁদের পুষ্টি জোগাতে উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র সরকার। কেন্দ্রের “মাতৃ বন্দনা যোজনা” খাতে এই প্রকল্পে রাজ্যেরও শেয়ার থাকছে।
[খুচরো নিতে টালবাহানা, মার খেলেন ব্যাঙ্ক ম্যানেজার ও কর্মীরা]
সর্বশেষ খবর
-
উদ্বোধনের ‘কৃতিত্ব’ নিয়েছেন, চুরিতে চুপ কেন? রামমন্দির নিয়ে মোদিকে তোপ কংগ্রেসের
-
আদিবাসী পরিবার থেকে আন্তর্জাতিক মঞ্চ, লোকশিল্পী তীজন বাঈয়ের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ মুর্মু-মোদির
-
প্রভাব খাটিয়ে দাদাগিরি! তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার কল্যাণ ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা
-
ভিউয়ের লোভে ফেসবুকে বেবি ইউনিটের ভিডিও পোস্ট! ডিলিটের নির্দেশ দিয়ে কী বলল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ?
-
সেশেলসের সর্বোচ্চ সম্মান প্রাপ্তি নিয়ে মোদিকে ‘অপমান’, পাক প্রতিরক্ষা মন্ত্রীকে তোপ ভারতের!