Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
সেফ হোম

মৃদু উপসর্গযুক্ত কোভিড রোগীদের জন্য ১০৬টি সেফ হোম চালু করে দিল রাজ্য

বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্রদপ্তর একটি টুইট করে এই খবর জানায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২, ২০২০, ২২:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২, ২০২০, ২২:৪২

options
link
মৃদু উপসর্গযুক্ত কোভিড রোগীদের জন্য ১০৬টি সেফ হোম চালু করে দিল রাজ্য zoom
ছবি: প্রতীকী

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: ICMR-এর গাইডলাইন মেনে উপসর্গহীন বা সামান্য উপসর্গযুক্ত কোভিড রোগীদের জন্য সেফ হোম চালু করে দিল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্রদপ্তর একটি টুইট করে এই খবর জানায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) আগেই এই সংক্রান্ত ঘোষণা করেছিলেন। তা ইতিমধ্যে চালু করা হল বলে এদিন টুইট করে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্রদপ্তর। বলেছে, “এটি একটি উদ্ভাবনী, পথ প্রদর্শক এবং অনন্য ভাবনা।”

কোভিড পজিটিভ হলেও অনেক রোগীই নিজের খরচে বা নিজেদের সুবিধামতো বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা করতে পারেন না। তাদের জন্যই বিনামূল্যে কোভিড হাসপাতাল লাগোয়া এলাকায় আইসোলেশন-সহ থাকা, খাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যাকে সেফ হোম নাম দেওয়া হয়েছে। এ জন্য স্বাস্থ্যদপ্তর ৬ হাজার ৯০৮ শয্যার ১০৬টি সেফ হোম তৈরি করা হয়েছে। যেখান থেকে কোনও আপৎকালীন পরিস্থিতিতে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বেসরকারি হাসপাতালে কোভিড চিকিৎসায় Prawn পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করল রাজ্য]

রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ৭৭টি কোভিড হাসপাতাল রয়েছে। তবে বারবারই কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের তরফে নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, মৃদু উপসর্গযুক্ত রোগীদের হাসপাতালে ভরতি হওয়ার কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই। এবার তাঁদের জন্য নয়া ব্যবস্থা রাজ্যের। তৈরি করা হয়েছে সেফ হোম সেন্টার। সেখানে একেবারেই মৃদু উপসর্গযুক্ত করোনা রোগীদের রাখা হবে। চিকিৎসকরাই তাঁদের চিকিৎসা করবেন। এছাড়াও করোনা রোগীদের জন্য আর কত বেড বাকি রয়েছে সে বিষয়ে প্রতিদিন ঘণ্টায় ঘণ্টায় বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে আপডেট দিতে বলে আগেই নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.