Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬

মারছে ছেলে-বউমা, থানায় গেলেন বৃদ্ধা

এর আগেও একাধিকবার মায়ের উপর অত্যাচার চালিয়েছে ছেলে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯, ১৬:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯, ১৬:০০

options
link
মারছে ছেলে-বউমা, থানায় গেলেন বৃদ্ধা zoom

ব্রতদীপ ভট্টাচার্য, বারাসত: পাশবিক বললেও যা কম বলা হয়। কোলে পিঠে করে যিনি বড় করেছেন, বউকে সঙ্গে নিয়ে সেই বৃদ্ধা মাকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল ছেলের বিরুদ্ধে। স্কুলের নথিপত্র খুঁজে না পেয়ে ওই বৃদ্ধার বাড়িতে প্রথমে ভাঙচুর চালায় ছেলে আর বউমা। ঘরের জিনিসপত্রের সঙ্গে মায়ের চশমাও ভেঙে দেয় বলে অভিযোগ। এরপর দফায় দফায় স্বামী স্ত্রী মিলে মারধর করে। এদিন প্রথম নয়, এর আগেও একাধিকবার মায়ের উপর অত্যাচার চালিয়েছে ছেলে। এদিন অত্যাচারের সীমা ছাড়ালে অতিষ্ঠ হয়ে ছেলে ও বউমার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন হতভাগ্য বৃদ্ধা। অভিযুক্ত ছেলের নাম বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য। ঘটনাটি উত্তর ২৪ পরগনা বারাসতের।

বাবাকে তাড়িয়ে বাড়িতে তালা ছেলের, চাবি চাইল আদালত

উত্তর ২৪ পরগনার সেচ দফতরের গ্রুপ ডি পদের কর্মরত রয়েছেন কল্পনা ভট্টাচার্য নামে ওই বৃদ্ধা। তাঁর দাবি, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই ছেলে বিশ্বজিতের অত্যাচার শুরু হয়েছিল। ২০০৪ সালে বিষ খেয়ে মারা গিয়েছিলেন কল্পনাদেবীর স্বামী মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য। প্রায় ছ’বছর পর মনোরঞ্জনবাবুর চাকরিটি পেয়েছিলেন কল্পনাদেবী। চাকরি পাওয়ার পর থেকে সরকারি কোয়ার্টারে ছেলেকে নিয়ে থাকতেন তিনি। তবে চাকরিটি ছেলেকে না দেওয়ার কারণে মায়ের উপর ক্ষোভ জন্মায় তার। তার জেরেই বৃদ্ধার অভিযোগ, প্রায়ই নেশাগ্রস্ত হয়ে বাড়ি ফিরে অশান্তি করতে শুরু করে বিশ্বজিৎ। মারধরের মাত্রাও বাড়তে থাকে। একদিন অতিষ্ঠ হয়ে ছেলেকে বাড়ি থেকে বের করে দেন তিনি। চলতি বছরে বনগাঁর বাসিন্দা মণীষাদেবীর সঙ্গে বিয়ে হয় বিশ্বজিতের। কল্পনাদেবী জানিয়েছেন, বিয়ের পর কয়েকদিন শ্বশুরবাড়িতে কাটানোর পর বারাসতে বউকে নিয়ে ফিরে আসে বিশ্বজিৎ। বিধানমার্কেট এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া করে বসবাস শুরু করে তারা। এদিন সকালে বিশ্বজিৎ ও তার স্ত্রী কল্পনাদেবীর বাড়িতে এসে চড়াও হয়। স্কুলের সমস্ত সার্টিফিকেট খুঁজে না পেতেই রুদ্রমূর্তি ধারণ করে বিশ্বজিৎ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মায়ের উপর অত্যাচারের কারণ জানতে চাইলে বিশ্বজিৎ বলে, “আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। দিনের পর দিন খেতে দেয়নি। এমনকী আমার সব সার্টিফিকেট হারিয়ে ফেলেছে। তবে এদিন মাকে মারধর করা হয়নি।” সঙ্গে অবলীলাক্রমে এটাও জানায়, “এদিন মারিনি, তবে আগে অনেকবারই মেরেছি।” বারাসত থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তবে শনিবার রাত পর্যন্ত বিশ্বজিৎকে গ্রেফতার করতে পারেনি তারা। এই অত্যাচারের জন্য ছেলে ও বউমার শাস্তির দাবি জানিয়েছেন আক্রান্ত বৃদ্ধা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.