রাজা দাস, বালুরঘাট: পঁচাত্তরোর্দ্ধ বৃদ্ধাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল নাতির বিরুদ্ধে। আক্রান্ত বৃদ্ধাকে উদ্ধার করার পাশাপাশি নাতিকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিলেন এলাকাবাসীরা। চিকিৎসার জন্য বৃদ্ধাকে হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। বালুরঘাট শহরের বঙ্গী কুণ্ডু কলোনির এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
[জামালপুরে সেতু থেকে দামোদরে ঝাঁপ বধূর, এলাকায় চাঞ্চল্য]
জানা গিয়েছে, নিজের বাড়িতেই থাকেন বৃদ্ধা শিখা সাহা। দীর্ঘদিন আগে তাঁর স্বামী মারা গিয়েছেন। তাঁর দুই ছেলে অসীম সাহা ও আশিস সাহা। তবে বড় ছেলে অসীমও বছর কয়েক আগে মারা গিয়েছেন। একই ভিটেতেই তাঁর দুই ছেলের পরিবার থাকে আলাদা আলাদা ভাবে। মারধরের অভিযোগ মৃত অসীমের ছেলে অর্থাৎ নাতি সুকান্ত সাহার বিরুদ্ধে। এই নাতির সঙ্গে থাকতেন বৃদ্ধা। বেশ কিছুদিন ধরে নাকি বৃদ্ধার উপর ওই নাতি অত্যাচার করত। সুকান্ত সাহা নামে ধৃত যুবক মাঝেমধ্যেই নেশাগ্রস্ত হয়ে আসত। শুক্রবার সকালে অত্যাচারের মাত্রা বেড়ে যায়। বৃদ্ধাকে মারধর করে বাড়ির বাইরে রাস্তায় ফেলে দেয় সে। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন এলাকাবাসীরা। সকলে গিয়ে প্রতিবাদ করে ঘটনার। খবর দেওয়া হয় বালুরঘাট থানায়। পুলিশ গিয়ে বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে পাঠায়। অভিযুক্ত সুকান্ত সাহাকে আটক করে পুলিশ।
[খেলতে গিয়ে বোমা ফেটে জখম তিন বালক, এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য]
স্থানীয় বাসিন্দা স্বপ্না চক্রবর্তী অভিযোগ করে বলেন, মাঝেমধ্যেই নেশাগ্রস্ত হয়ে সুকান্ত তাঁর ঠাকুরমার উপর অত্যাচার চালাত। পারিবারিক ব্যাপার বলে তাঁরা সেভাবে এগোতেন না। কিন্তু এদিন সকালে অত্যাচারের মাত্রা অতিরিক্ত হয়ে যায়। এলাকার মহিলারা ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিবাদ জানান। খবর দেওয়া হয় পুলিশে।
সর্বশেষ খবর
-
কাপের মোহে অন্ধ ট্রাম্প! বাস্তুহীনদের নির্বিচারে উচ্ছেদ, বিশ্বকাপের জৌলুসে চাপা পড়ে আর্তনাদ
-
ট্রাক-গাড়ির সংঘর্ষে দাউদাউ আগুন! মহারাষ্ট্রে দুর্ঘটনায় ঝলসে মৃত্যু একই পরিবারের ৪
-
‘গুরুত্ব কর্মফলের উপর নির্ভর করবে’, অনন্ত মহারাজকে পালটা কটাক্ষ নিশীথের
-
কী হয়েছিল ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই? কমিশনের রিপোর্ট পেশ করে শুভেন্দু বললেন, ‘মমতার সাক্ষ্যই নেয়নি’
-
মুখ্যমন্ত্রী বিজয়কে কটুক্তি, গ্রেপ্তার আরও এক ডিএমকে বিধায়ক, অশান্তি তামিলনাড়ুতে