Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
SIR

ছিলেন চার ভাই, এসআইআর নোটিস পেতেই দিলশাদ জানলেন, বাবার আরও দুই ছেলে আছে!

এসআইআর নিয়ে মানুষের হয়রানির শেষ নেই! ছোটখাটো বিষয়ে ভোটারদের ডেকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এবার এক আজব ঘটনার সাক্ষী সপ্তগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮৭ নম্বর বুথের ভোটার দিলশাদ আনসারী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৯:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৯:২৯

options
link
ছিলেন চার ভাই, এসআইআর নোটিস পেতেই দিলশাদ জানলেন, বাবার আরও দুই ছেলে আছে! zoom
নোটিস পেয়ে চরম ক্ষুব্ধ দিলশাদ আনসারী।
সৌজন্য: নিজস্ব ছবি।

এসআইআর নিয়ে মানুষের হয়রানির শেষ নেই! ছোটখাটো বিষয়ে ভোটারদের ডেকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এই ইস্যুতে একাধিকবার কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে শাসকদল তৃণমূল। এবার এক আজব ঘটনার সাক্ষী সপ্তগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮৭ নম্বর বুথের ভোটার দিলশাদ আনসারী। তাঁর দাবি, ”জন্মের পর জানতাম আমরা চার ভাই, এসআইআর শুনানির নোটিশ পাওয়ার পর জানতে পারলাম আরও দুই ভাই।” আর সেই কারণে তাঁকে এই নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে দাবি দিলশাদের। ঘটনায় রীতিমতো কমিশনকে একহাত নিয়ে তিনি বলেন, ”এখন আমি যে আমার বাবার ছেলে, তারই প্রমাণ দিতে এলাম।’’

সপ্তগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮৭ নম্বর বুথের ভোটার দিলশাদ আনসারী। তিনি বলেন, ”কয়েক পুরুষ ধরে সপ্তগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের বাঁশবেড়িয়ার বাসিন্দা তাঁরা। পরিবারের সবার নাম রয়েছে তালিকায়। ভোটও দিয়েছেন সবাই। সেই মতো এসআইআরের এনুমারেশন ফর্মে সমস্ত তথ্য দেওয়া হয়েছিল। এরপরেও শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে।” কারণ হিসাবে দিলশাদের দাবি, নোটিসে দেখানো হয়েছে তাঁর বাবার নাকি ছয় ছেলে। অথচ তাঁরা চার ভাই। আরও দুজন কীভাবে যুক্ত হলো কীভাবে তা কিছুই বুঝতে পারছেন না ওই ব্যক্তি। যা নিয়ে চরম ক্ষুব্ধ ৮৭ নম্বর বুথের ওই ভোটার। তিনি বলেন, ‘সপ্তগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮৭ নম্বর বুথের অধিকাংশ ভোটারকে শুনানির জন্য ডাক দেওয়া হয়েছে। বয়স্ক যুব অসুস্থ কাউকে বাদ দেওয়া হয়নি।” আর তা তুলে কমিশনকে দিলশাদের প্রশ্ন, ”ওই বুথে তাহলে সবাই ভুয়ো ভোটার?” আমাদের টাকাতেই আমাদের হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ দিলশাদ আনসারীর।

Advertisement

আজ শনিবার ওই শুনানি কেন্দ্রে বহু বয়স্ক মানুষজন লাইনে। এমনকী সৌদি আরব থেকে এসআইআর শুনানিতে হাজির হয়েছেন স্থানীয় এক যুবক সাবির খান। যেভাবে তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছে তাতে চরম ক্ষুব্ধ তিনি। সাবির বলেন, ”পাসপোর্টের তথ্য জমা দেওয়ার পরেও এসআইআর শুনানিতে ডাকা হয়েছে। এমনকী শুনানিতে হাজিরা দেওয়ার পরেও কোনও তথ্য দেওয়া হচ্ছে না।” যা কমিশনকে একহাত নেন সাবির খান। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.