Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬

প্রমাণ লোপাটে বন্ধ করা হয় সিসিটিভি, ম্যানেজার খুনে নয়া সূত্র

মন্দারমণির তদন্তে ধৃতকে নিয়ে পুনর্নির্মাণ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯, ১৬:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯, ১৬:২৬

options
link
প্রমাণ লোপাটে বন্ধ করা হয় সিসিটিভি, ম্যানেজার খুনে নয়া সূত্র zoom

রঞ্জন মহাপাত্র, কাঁথি: প্রমাণ লোপাট করতে সিসিটিভি ফুটেজ উধাও করা হয়েছিল। মৃতদেহ ফেলা হয়েছিল খালের জলে। তবুও শেষরক্ষা হল না। পুলিশের জালে ধরা পড়ে গেল মন্দারমণির ম্যানেজার খুনে অভিযুক্ত। ৭ লক্ষ টাকা তছরুপের নিয়ে যে অশান্তি তা কবুল করেছে ধৃত। তাকে নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হয়। তবে এটা যে একজনের হাতের কাজ নয় তা পুলিশ জানতে পেরেছে। ঘটনায় যুক্ত বাকিদের খোঁজ শুরু হয়েছে।

[হনুমান ধরার দাবিতে পথ অবরোধ, ঘুম ছুটেছে বন দপ্তরের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বৃহস্পতিবার কাঁথির সাতমাইল খাল থেকে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মৃতদেহ পর্দায় জড়ানো অবস্থায় উদ্ধার করেছিল পুলিশ। মৃত ব্যক্তির পরিচয় জানতে কাঁথি পুলিশ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সমস্ত থানায় ছবি পাঠায়। মন্দারমণি উপকূল থানার ওসি মৃত ব্যক্তিকে শনাক্ত করেন। জানা যায় মৃতের নাম দেবাশিস ঘোষ (৫২)। তিনি মন্দারণির এক হোটেলের ম্যানেজার। বাড়ি নৈহাটিতে। ম্যানেজার খুনের বিষয়টি জানানো হয় হোটেলের মালিক তথা প্রাক্তন ফুটবলার দেবজিৎ ঘোষ ও সুজয় নাগকে। পুলিশ জানতে পারে ওই হোটেলে বারের টাকার হিসেবে গরমিল ধরা পড়ে। এই নিয়ে বার ম্যানেজার সেখ রেহানের সঙ্গে দেবশিসবাবুর বচসা হয়। তিনি বিষয়টি মালিককে জানিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। দেবাশিসের মৃতদেহ উদ্ধারের পরে হোটেলে রেহানের অনুপস্থিতি পুলিশের সন্দেহ বাড়িয়ে তোলে। পুলিশ জানতে পারে রেহান এড়্যাফতেপুর গ্রামে বাড়িতেই রয়েছে। কাঁথি থানার পুলিশ রাতেই তাকে আটকের পর জেরা করে। জেরায় রেহান খুনের ঘটনা স্বীকারের পর শুক্রবার তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার  করে। পাশাপাশি মন্দারমণির হোটেলেও চলে তল্লাসি।

[দুর্নীতি ধরে ফেলায় মন্দারমণিতে খুন হোটেল ম্যানেজার]

বুধবার রাতে হোটেলে কী কী ঘটেছিল তা জানতে সিসিটিভি চালিয়ে দেখা হয়। তাতে রাতের হোটেলে ম্যানেজার দেবাশিসবাবু যাতায়াত করছেন এমন ছবি ধরা পড়লেও ঠিক তার পরে ক্যামেরা বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পুলিশের অনুমান, অভিযুক্ত রেহান সিসি ক্যামেরাগুলি বন্ধ করে একাধিক ব্যক্তির উপস্থিতিতে পরিকল্পনা মাফিক ম্যানেজারকে শ্বাসরোধের পর খুন করে। পুলিশ জানতে পারে, খুনের পর মৃত ম্যানেজারকে হোটেলের একটি ঘরের পর্দায় জড়িয়ে নিজের স্করপিও গাড়িতে নিয়ে এসে সাতমাইলের কাছে খালের জলে ফেলে দেয় রেহান। ম্যানেজার ছুটি নিয়ে বাড়ি গিয়েছে। এই কথা প্রমাণে মৃত ম্যানেজারের ব্যাগও তারা হোটেল থেকে বের করে সাতমাইল খালের জলে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ। যেখানে খালের জলে মৃতদেহ ফেলা হয়েছিল সেখানে ধৃতকে নিয়ে যাওয়া হয়। এমনকী কোথায় ম্যানেজারের ব্যাগ ফেলা হয়েছিল সেখানেও ধৃত রেহানকে নিয়ে যাওয়া হয়। দুটি স্থানেই ধৃত রেহান কীভাবে গাড়ি থামিয়ে মৃত ম্যানেজারের দেহ খালে ফেলেছিল তাও দেখাতে বলা হয়। অর্থাৎ, পুলিশ এদিন অভিযুক্তকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুননির্মান করায়। সেইসঙ্গে হোটেলের অন্যান্য কর্মীদেরও জেরা শুরু করেছে মন্দারমণি থানার পুলিশ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.