২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৬ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

১৩ জন তৃণমূল নেতার নাম উল্লেখ করে ‘মাওবাদী’ পোস্টার, পাড়ুইতে তুমুল চাঞ্চল্য

Published by: Sayani Sen |    Posted: September 23, 2020 8:26 pm|    Updated: September 23, 2020 8:26 pm

An Images

ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বোলপুর: ইলামবাজারের ব্লক সভাপতি শেখ তরু-সহ ১৩ জন তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে ‘মাওবাদী’  (Maoist) পোস্টার পড়ল পাড়ুই থানার তিনটি গ্রামে। পোস্টারে উল্লেখ করা হয়েছে, “জীবন দাও জনগণের টাকা ফেরত দাও।” এর মধ্যে দু’টি পোস্টার পড়েছে তৃণমূলের নবনির্মিত পার্টি অফিসের দেওয়ালে। সকালে এই পোস্টার দেখে এলাকাতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পাড়ুই থানার পুলিশ এসে পোস্টার গুলি ছিঁড়ে নিয়ে যায়। তৃণমূলের অভিযোগ এই ঘটনার সঙ্গে মাওবাদী নয় বিজেপি যুক্ত।

বুধবার সকালে পাড়ুই থানার মঙ্গলডিহি পঞ্চায়েতের গোলাপবাগ, ব্রাহ্মনখণ্ড এবং হাঁসড়া গ্রামে ‘মাওবাদী’ নামে লাল আলতাতে লেখা পোস্টার পড়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে পুলিশ প্রথমে গোলাপবাগ গ্রামের ভিতরে বাসস্ট্যান্ডের কাছে তৃণমূলের নবনির্মিত পার্টি অফিসের পিছনের দেওয়াল থেকে একটি ‘মাওবাদী’ পোস্টার উদ্ধার করে। একইভাবে গোলাপবাগ গ্রামের কাছে ব্রাহ্মনখণ্ড গ্রামের বাসস্ট্যান্ডে তৃণমূলের আর একটি নবনির্মিত পার্টি অফিসের সামনে একটি লাঠির মধ্যে লাগানো পোস্টার উদ্ধার করা হয়। এরপর বেশ কয়েক কিলোমিটার দূরে হাঁসড়া গ্রামের বাসস্ট্যান্ড থেকে উদ্ধার হয় আরও একটি পোস্টার।

[আরও পড়ুন: চলতি বছরেই মেটাতে হবে বকেয়া ডিএ, রাজ্যকে নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিল SAT]

পোস্টার গুলিতে ইলামবাজারের ব্লক সভাপতি শেখ তরু, প্রাক্তন সভাপতি জাফারুল ইসলাম, দুলাল রায়, শেখ নাজাই, শেখ গদাই, জাকির, বসির, বিল্লাল, কামরুল,‌ খোকন, গামা, মফিজ এবং শেখ জবেরের নাম লেখা রয়েছে। পোস্টারে লেখা রয়েছে “জীবন দাও। জনগণের টাকা ফেরত দাও।”  স্থানীয় যুবক শেখ মহিম জানান, “গোলাপবাগ গ্রাম তৃণমূল প্রভাবিত। বিজেপির প্রভাব গ্রামে সেই ভাবে নেই। আর মাওবাদীর নাম আমরা এই প্রথম শুনছি। ভোট আসছে তাই এই সব হচ্ছে।”

হাঁসড়া গ্রামের জাহির শেখ বলেন, “মাওবাদী পোস্টার পড়তেই শাসকদলের অনেকেই ভয় পেয়েছে। এলাকাতে পাড়ুই থানার পুলিশ প্রায় আসেই না। পুলিশ সক্রিয় না হলে এলাকাতে আবার উত্তেজনা বাড়বে।” ইলামবাজারের ব্লক সভাপতি শেখ তরু বলেন,  “এইসব মাওবাদী নয় বিজেপির কাজ। এলাকায় তাদের পায়ের তলায় মাটি নেই। তাই এইসব পোস্টার দিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়াতে চাইছে।” বিজেপির জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল বলেন, “উন্নয়নের নামে, চাকরি দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের টাকা হজম করে দিয়েছে তৃণমূল নেতারা। আমার মনে হয়, যারা টাকা দিয়েছে বা তৃণমূলের যারা টাকা ভাগ পায়নি তাদের এটা কাজ। পুলিশ তদন্ত করে দেখুক।” 

[আরও পড়ুন: রাজনীতির ঊর্ধ্বে প্রাণ! হাবড়ার তৃণমূল নেতাকে প্লাজমা দিতে হাসপাতালে ছুটলেন CPM নেতা]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement