BREAKING NEWS

১৪  আষাঢ়  ১৪২৯  বুধবার ২৯ জুন ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

বিধানসভায় নজিরবিহীন গণ্ডগোল, সাসপেন্ড বিরোধী দলনেতা

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: February 8, 2017 9:06 am|    Updated: February 8, 2017 9:19 am

Massive chaos in assembly, abdul mannan suspended

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নজিরবিহীন বিতণ্ডার সাক্ষী থাকল রাজ্য বিধানসভা৷ এদিন বিধানসভায় ভাঙচুর সংক্রান্ত বিল পেশ করতে গেলে প্রতিবাদে শামিল হন বিরোধীরা৷ পোস্টার নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাঁরা৷ আর তারপরই বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নানকে সাসপেন্ড করলেন অধ্যক্ষ৷

বিরোধীদের প্রতিবাদে এদিন রীতিমতো উত্তাল হয়ে ওঠে বিধানসভা৷ বিধানসভায় বাদানুবাদ বা হই-হট্টগোল চলা নতুন কিছু নয়৷ এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ভাঙচুর সংক্রান্ত একটি  বিল পেশ করতে গেলে, বিরোধিতায় সরব হন বিরোধী দলের বিধায়করা৷ ভাঙচুরের ছবি-পোস্টার নিয়ে তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন৷ প্রথমে স্পিকার তাঁদের শান্ত হওয়ার অনুরোধ করেন৷ কিন্তু বিরোধী দলের বিধায়করা তাঁদের প্রতিবাদ জারি রাখেন৷ কালা আইন মানা হবে না বলে স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা৷ এরপরই স্পিকার বিরোধী দলনেতাকে সাসপেন্ড করেন৷ তাঁকে কক্ষের বাইরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়৷ যদিও তিনি নিজের অবস্থানেই অনড় ছিলেন৷ তা নিয়েই প্রবল গণ্ডগোলের সূত্রপাত৷ মার্শাল আবদুল মান্নানকে বিধানসভা কক্ষ থেকে বের করে দিতে গেলে বাধা দেন কংগ্রেস বিধায়করা৷ সেই সময়ই কংগ্রেস বিধায়ক মনোজ চক্রবর্তী মার্শালের হাত থেকে ন্যায়দণ্ড কেড়ে নেন বলে জানা যাচ্ছে৷ এই পরিস্থিতিতেই মার্শালের সঙ্গে কংগ্রেস বিধায়কদের রীতিমতো হাতাহাতি বেধে দেয়৷ বিধানসভার মধ্যেই শুয়ে পড়েন মান্নানবাবু৷ কোনওভাবেই তিনি বিধানসভার বাইরে যেতে নারাজ৷ বিল পাশ তো দূরের কথা৷ প্রবল বিতণ্ডায় অচলাবস্থা জারি বিধানসভায়৷

এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভাতেই ছিলেন৷ যদিও গণ্ডগোলের সময় তিনি নিজের ঘরেই ছিলেন৷ শাসকদলের বিধায়করা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলেও কাজের কাজ কিছু হয়নি৷ এদিকে এই অবস্থাতেও কাজ বন্ধ করেননি স্পিকার৷ ফলে এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়৷ গত এক দশকে বিধানসভায় এমন কোনও ঘটনার সাক্ষী থাকেনি রাজ্যের রাজনৈতিক মহল৷ এর কিছুক্ষণ পরেই মান্নানবাবুকে বিধানসভা থেকে বাইরে আনা হয়৷ অসুস্থ বোধ করতে থাকায় তাঁকে পিজিতে নিয়ে যাওয়া হয়৷ পুরো ঘটনায় ক্ষিপ্ত সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী৷ জানান, উদ্দেশ্যমূলকভাবেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে৷ বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও বিধানসভার কাজ বন্ধ করেননি স্পিকার৷ রাজ্যে কালা আইন আনতে চলেছিল সরকার বলে অভিযোগ করেন তিনি৷ আজকেই এই ঘটনা বিধানসভার ইতিহাসে কালো দিন বলেও অভিহিত করেন তিনি৷

এদিন মহিলা বিধায়কদের মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে৷ শাড়ি খুলে দিয়ে বিধায়ককে বের করে দেওয়ার মারাত্মক অভিযোগ ওঠে৷ ধিক্কার জানিয়ে বিধানসভার বাইরে এখনও মিছিল-প্রতিবাদে শামিল বিরোধীরা৷পুরো ঘটনায় রাজ্যপালের দ্বারস্থ হচ্ছেন বিরোধীরা৷

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে