Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Bhatpara

চোর সন্দেহে ভাটপাড়ায় মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে পিটিয়ে ‘খুন’, অভিযুক্তদের খোঁজে পুলিশ

বারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মুরলীধর শর্মা জানিয়েছেন, পিটিয়ে খুনের একটি ঘটনা ঘটেছে। খুনের মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে।

Advertisement
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ২১:১২

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ২১:১২

options
link
চোর সন্দেহে ভাটপাড়ায় মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে পিটিয়ে ‘খুন’, অভিযুক্তদের খোঁজে পুলিশ zoom
প্রতীকী ছবি।

ফের চোর সন্দেহে এক যুবককে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ। যা নিয়ে আজ শুক্রবার ভাটপাড়া পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। মৃতের নাম মহম্মদ ইস্তক (২৯)। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কীভাবে এবং কেন এই ঘটনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মুরলীধর শর্মা জানিয়েছেন, পিটিয়ে খুনের একটি ঘটনা ঘটেছে। খুনের মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে। কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাও দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার। 

শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে মেঘনামোড় সংলগ্ন ১৮ নম্বর গলির মধ্যে। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ২৯ এর মহম্মদ ইস্তকের বাড়ি গরুলিয়া পুরসভার ৭নম্বর ওয়ার্ডের পানি ট্যাঙ্ক মোড় এলাকায়। দীর্ঘদিন ধরেই মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন ইস্তক। অন্যান্য দিনের মত এদিন সকালেও তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। ঘুরতে ঘুরতে যুবক পৌঁছেছিল মেঘনামোড় সংলগ্ন ১৮ নম্বর গলিতে। মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় তাঁর আচরণে কিছুটা অসংগতি ছিল। এতেই সন্দেহ হয় সেখানে উপস্থিত কয়েকজনের। তারপরই চোর সন্দেহে তাঁর উপর গণপিটুনি চলে বলে অভিযোগ। একেবারে অচেতন এবং রক্তাক্ত অবস্থায় মহম্মদ ইস্তককে রাস্তায় ফেলেই পালায় অভিযুক্তরা। ওই অবস্থাতে এলাকারই কয়েকজন উদ্ধার করে তাঁকে নিয়ে যায় বারাকপুর বিএন বসু মহকুমা হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসকরা যুবককে মৃত বলে ঘোষণা করে।

Advertisement

এই নিয়ে ভাটপাড়া পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান দেবজ্যোতি ঘোষ বলেন, “যে কোন মৃত্যুই দুর্ভাগ্যজনক। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। তাই এ নিয়ে কোন মন্তব্য করব না।” বলে রাখা প্রয়োজন, এর আগে রাজ্যের একাধিক জায়গায় চোর সন্দেহে গণপিটুনির অভিযোগ সামনে এসেছে। যা নিয়ে পুলিশের তরফে একাধিকবার সচেতনতামূলক প্রচারও চালানো হয়। এর মধ্যেই ফের একই ঘটনায় উঠছে প্রশ্ন। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.