Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Maldah

রাজস্থানে কাজে গিয়ে মৃত্যু মালদহের শ্রমিকের! দুর্ঘটনা নাকি খুন?

শোকস্তব্ধ পরিবারের লোকজন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৫, ০৯:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৫, ০৯:৪৭

options
link
রাজস্থানে কাজে গিয়ে মৃত্যু মালদহের শ্রমিকের! দুর্ঘটনা নাকি খুন? zoom
প্রতীকী ছবি

বাবুল হক, মালদহ: ফের ভিনরাজ্যে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন মালদহের এক পরিযায়ী শ্রমিক। রাজস্থানে টাওয়ার নির্মাণের প্ল্যান্টে কাজ করার সময় দুর্ঘটনায় ওই মৃত্যু হয়। মৃতের নাম সৌভিক শেখ (১৯)। বাড়ি মালদহের বৈষ্ণবনগর থানার বেদরাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত দারিয়াপুরের ভাদুটোলায়। তাঁর অকালমৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছতেই শোকস্তব্ধ পরিবারের লোকজন।

কারখানায় কাজ করার সময় তাঁর মাথার উপর লোহার রড এসে পড়েছিল। ওই শ্রমিকের কফিনবন্দি নিথর দেহ কখন ফিরবে, সেই অপেক্ষায় রয়েছে শোকস্তব্ধ পরিবার। জানা গিয়েছে, মাস তিনেক আগে কাজের সন্ধানে ভিনরাজ্যে পাড়ি দিয়েছিলেন মালদহের বৈষ্ণবনগরের দারিয়াপুর এলাকার ওই পরিযায়ী শ্রমিক। রাজস্থানে পৌঁছন তরুণ সৌভিক। সেখানে তিনি একটি বহুজাতিক কোম্পানির টাওয়ার নির্মাণ প্রকল্পের কাজে যোগ দিয়েছিলেন। সোমবার রাতে রাজস্থানের ওই প্ল্যান্ট থেকে সহকর্মীরা তাঁর বাড়িতে ফোন করেছিলেন। জানানো হয়, কাজের ফাঁকে প্ল্যান্ট এলাকায় ঘোরাফেরা করছিলেন সৌভিক। সেসময় হঠাৎ বিরাট লোহার রড তাঁর মাথার উপর এসে পড়ে। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। লোহার রডের আঘাতে ঘটনাস্থলেই সৌভিকের মৃত্যু ঘটে। স্থানীয় থানা থেকে পুলিশ পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়।

Advertisement

বৈষ্ণবনগরের ভাদুটোলা গ্রামের বাড়িতে এই খবর পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজনরা। মৃত শ্রমিকের বাবা রবিউল শেখ বলেন, “সংসারের অভাব চলছিল। তাই কিছু রোজগারের আশায় ছেলেকে বাইরে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু বাড়ির ছেলেকে এভাবে হারাতে হবে, সেটা ভাবতেই পারিনি। ছেলেকে আর ফিরে পাব না।” স্থানীয় শিক্ষক আমিনুল ইসলাম বলেন, ” সৌভিক পড়াশোনায় ভালো ছিল। দারিদ্রের কারণে সংসার চালানোর হাল ধরতে হয় তাঁকে। পড়াশোনা ছেড়ে পরিযায়ী শ্রমিক হতে হয় তাঁকে। মাত্র ১৯ বছর বয়সেই তাঁকে এবার রাজস্থানে যেতে হয়েছিল।” বেদরাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সিটু শেখ বলেন, “আমরা চাই রাজস্থানের ওই কোম্পানি সৌভিকের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিক।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.