Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Dinhata

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দিনহাটায় মৃত ৫ শ্রমিকের পরিবারের পাশে সরকার, ২ লক্ষ টাকা ও চাকরির আশ্বাস মন্ত্রীর

দিনহাটায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গিয়েছেন পাঁচ শ্রমিক। রবিবার সন্ধ্যার ভয়াবহ এই ঘটনায় শোকে পাথর পরিবারের সদস্যরা। মৃতদের পরিবারের সদস্যদের ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ও পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

বিক্রম রায়
বিক্রম রায়

শেষ আপডেট: মার্চ ২, ২০২৬, ১৩:২৮

link
বিক্রম রায়
বিক্রম রায়

শেষ আপডেট: মার্চ ২, ২০২৬, ১৩:২৮

options
link
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দিনহাটায় মৃত ৫ শ্রমিকের পরিবারের পাশে সরকার, ২ লক্ষ টাকা ও চাকরির আশ্বাস মন্ত্রীর zoom
ঘটনার কথা জেনে হাসপাতালে যান মন্ত্রী উদয়ন গুহ। নিজস্ব চিত্র
Advertisement

দিনহাটায় (Dinhata) বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গিয়েছেন পাঁচ শ্রমিক। রবিবার সন্ধ্যার ভয়াবহ এই ঘটনায় শোকে পাথর পরিবারের সদস্যরা। মৃতদের পরিবারের সদস্যদের ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ও পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। গতকাল, রবিবার রাতেই শ্রমিকদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন কোচবিহারের জেলাশাসক রাজু মিশ্রা, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ, পুলিশ সুপার সন্দীপ কাররা। সরকারের তরফে পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

জানা গিয়েছে, দিনহাটার (Dinhata) ভিলেজ ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের গড়কুড়া এলাকায় একটি পাথর ভাঙার কারখানা আছে। সেখানে একাধিক শ্রমিক পাথর ভাঙার কাজ করেন। গতকাল, রবিবারও সেখানে কাজ চলছিল। কাজ শেষে কারখানারই এক অংশ থেকে একটি ঢালাই মেশিন ঠেলে অন্য জায়গায় নিয়ে যাচ্ছিলেন শ্রমিকরা। ওই কারখানার একাংশের উপর দিয়েই ১১ হাজার ভোল্টের হাইটেনশন তার গিয়েছে বলে খবর। মেশিনের উপর দিকটি ওই হাইটেনশন তারের সংস্পর্শে চলে আসে। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু ৫ শ্রমিকের।

Advertisement

মৃত শ্রমিকরা হলেন মুকুল বর্মন, বাড়ি দিনহাটার বাইসগুড়ি এলাকায়। রাজু সেন, বাড়ি ওকরাবাড়িতে। মিঠুন পাল, বাড়ি বুড়িরহাটে। সুমন বর্মন দিনহাটা শহরের বয়েজ ক্লাব সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা এবং সঞ্জয় বর্মন, বাড়ি ভেটাগুড়ির শিঙিজানি এলাকায়। ওই পাথর ভাঙার কারখানায় তাঁরা প্রত্যেকেই কাজ করতেন। সেখানেই ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। আরও তিনজন শ্রমিক গুরুতর জখম হয়ে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেই জানা গিয়েছে।

ঘটনার পর রাতেই মৃতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন মন্ত্রী উদয়ন গুহ-সহ সরকারি আধিকারিকরা। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী বলেন, “ইতিমধ্যে এই ঘটনার কথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোচরে এসেছে। তিনি বলেছেন, মৃত শ্রমিকের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং তাঁদের পরিবারে একজনকে চাকরির বন্দোবস্ত করা হবে।”

কিন্তু কীভাবে ঘটল ওই ভয়াবহ ঘটনা? জানা গিয়েছে, কাজ শেষে পাথর ভাঙার ওই মেশিন নিয়ে কারখানার একদিক থেকে অন্যদিকে যাচ্ছিলেন শ্রমিকরা। ওই এলাকার উপর দিয়ে গিয়েছে ১১ হাজার ভোল্টের হাইটেনশন তারের লাইন। ঢালাই মেশিনের উপরের দিকের অংশ ওই তারের সংস্পর্শে চলে আসে। উপরে যে তার রয়েছে, মেশিনের উপরের অংশ যে ওই তারে লেগে যেতে পারে! সেই বিষয়টি আন্দাজই করেননি শ্রমিকরা। মুহূর্তে ঘটে যান ওই মর্মান্তিক ঘটনা। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.