BREAKING NEWS

২১ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ৭ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

হোম কোয়ারেন্টাইনের নোটিস লাগাতে বাধা! বিতর্কের মুখে মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরি

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: April 4, 2020 5:00 pm|    Updated: April 4, 2020 5:26 pm

An Images

শংকরকুমার রায়, রায়গঞ্জ: দিল্লি থেকে ফেরার পর বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরির  (Debasree Chaudhuri)। শুক্রবার মাস্ক বিলি করতে যাওয়ায় অনেকেই তাঁকে দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে কটাক্ষ করেছিলেন। শনিবার ফের তাঁকে বিঁধলেন বিরোধীরা । নাহ, তবে এদিন বাড়ি থেকে বের হননি তিনি। তাঁর ফ্ল্যাটে হোম কোয়ারেন্টাইনের নোটিস লাগাতে এসেছিলেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। কিন্তু তাঁদের ফিরিয়ে দিয়েছেন মন্ত্রী। এতেই ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দায়িত্ববোধ নিয়ে।

বর্তমানে বাইরে থেকে এ রাজ্যে এলে প্রত্যেকের ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা বাধ্যতামূলক। সেই সঙ্গে সরকারের তরফে তাঁর বাড়ির বাইরে লাগিয়ে দেওয়া হয় হোম কোয়ারেন্টাইনের নোটিস। সেই নিয়ম অনুযায়ী শনিবার জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকর্তা (CMOH)-এর নির্দেশে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরির (Debasree Chaudhuri) রায়গঞ্জের সুর্দশনপুরের ফ্ল্যাটে যান স্বাস্থ্য কর্মীরা। কারণ, শুক্রবারই দিল্লি থেকে ফিরেছেন তিনি। অভিযোগ, তাঁদের হোম কোয়ারেন্টাইনের নোটিস লাগাতে বাধা দেন দেবশ্রীদেবী। তিনি বলেন, “আমি যথেষ্ট সচেতন। ঘর থেকে বের হচ্ছি না। নোটিস দেওয়ার প্রয়োজন নেই।” মন্ত্রীর কথা শুনে ফিরে আসতে বাধ্য হন স্বাস্থ্যকর্মীরা। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্ল্য ছড়িয়ে পড়ে রায়গঞ্জে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অনেকেই।

[আরও পড়ুন: নেই সংক্রমণের ভয়, তিস্তার চরে নদীঘেরা সবুজ দ্বীপগুলো যেন নিজেরাই কোয়ারেন্টাইন]

যদিও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরির (Debasree Chaudhuri) কথায়, ফ্ল্যাটের সামনে এহেন নোটিস দেখলে মানুষ অযথা আতঙ্কিত হবেন বলেই নিষেধ করা। পাশাপাশি, নিজেকে আইসোলেশনে রয়েছেন বলেই জানান তিনি। প্রসঙ্গত, নিয়ম অনুযায়ী দিল্লি ফেরার পর ১৪ দিন ঘরবন্দি থাকার কথা ছিল তাঁর। তা সত্ত্বেও শুক্রবার নিজের এলাকায় ঘোরেন দেবশ্রীদেবী। বিলি করেন মাস্ক। যা একে বারেই উচিত হয়নি হবে দাবি সকলের। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই আচরণের তীব্র বিরোধিতা করেছেন অনেকেই।

[আরও পড়ুন: করোনা যুদ্ধে স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশে বেলুড়ের যুবক, পলি প্রাইমার দিয়ে তৈরি করলেন পোশাক

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement