BREAKING NEWS

১৫ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  শনিবার ৫ ডিসেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বিহার যাওয়ার পথে বাগডোগরায় মোদি, ‘সৌজন্য’ সাক্ষাতে রাজ্যের মন্ত্রী গৌতম দেব

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: November 3, 2020 4:58 pm|    Updated: November 3, 2020 5:59 pm

An Images

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: বিহারে নির্বাচনী প্রচারে যাওয়ার পথে বাংলা ছুঁয়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। মঙ্গলবার সকালে উত্তরবঙ্গের বাগডোগরা এয়ারপোর্টে মিনিট ১৫ ছিলেন তিনি। উত্তরবঙ্গের বিজেপি সাংসদদের পাশাপাশি এদিন দেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ করে এলেন রাজ্যের মন্ত্রী গৌতম দেব (Gautam Deb)। 

মঙ্গলবার বিহার যাওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রীর চপার নামল বাগডোগরা বিমানবন্দরে। সেখানে মোদির সঙ্গে দেখা করেন কোচবিহারের বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক, জলপাইগুড়ির জয়ন্ত রায়, বালুরঘাটের সুকান্ত মজুমদাররা। তাঁদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন মোদি। নিশীথের পিঠ চাপড়ে বলেন, ”ভাল করে কাজ করতে হবে উত্তরবঙ্গে।” বিধানসভা ভোটে উত্তরবঙ্গে ভাল ফল চাই, এমনই ইঙ্গিত দিয়ে গিয়েছেন মোদি। তাঁর সঙ্গে কথা বলার পর এমনই দাবি করেছেন নিশীথ প্রামাণিক। মোদি এদিন তাঁদের আরও বলেন, খুব শীঘ্রই তিনি বাংলায় আসছেন।

PM Modi

[আরও পড়ুন: তীব্র বিস্ফোরণে দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে মৃত্যু শ্রমিকের, DPL’এর দুর্ঘটনা বাড়াচ্ছে সংশয়]

প্রধানমন্ত্রীকে কিছুক্ষণের জন্য কাছে পেলেও এদিন দলের তিন সাংসদ রাজ্যে দলীয় কর্মীদের খুন নিয়ে নালিশ করার সুযোগ ছাড়েননি। নিশীথ প্রামাণিকই তাঁকে জানান যে, রাজবংশী সম্প্রদায়ের অনেকে খুন হচ্ছে। রাজ্যে একের পর এক বিজেপি কর্মী খুন হচ্ছে। সবই শুনেছেন প্রধানমন্ত্রী।

[আরও পড়ুন: পাঁচিল দেওয়া নিয়ে বচসাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র মালদহের চাঁচোল, গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত ১]

এদিকে, যখন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে এধরনের রাজনৈতিক হত্যার অভিযোগ করছেন নিশীথরা, সেসময়ই দেখা গেল, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ করতে এসেছেন রাজ্যেরই মন্ত্রী গৌতম দেব। বাগডোগরা ছুঁয়ে প্রধানমন্ত্রী বিহারের পথে রওনা দেবন, এই খবর পেয়েই বিমানবন্দরে তাঁর সঙ্গে দেখা করে গেলেন, সৌহার্দ্য বিনিময় করে গেলেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী। আসলে, প্রধানমন্ত্রী কোনও রাজ্যে পা রাখছেন, তা যত কম সময়ের জন্যই হোক, প্রোটোকল অনুযায়ী কোনও সরকারি প্রতিনিধি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান। এক্ষেত্রেও তেমনটাই ঘটেছে। তাই বিষয়টি নিয়ে মোটেই রাজনীতিকরণের পক্ষপাতী নয় রাজ্য সরকার। 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement