Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৫ জুন ২০২৬
Santiniketan

শান্তিনিকেতনে হোমের আড়ালে দেহ ব্যবসা! নাবালিকাকে লাগাতার ধর্ষণে অভিযুক্ত নিরাপত্তারক্ষী-সহ ২

অভিযোগ প্রতিদিন সন্ধ্যায় মেয়েদের সাজিয়ে অন্য একটি ঘরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে ঘুমের ওষুধ জাতীয় খাইয়ে নির্যাতন চলে বলেও দাবি নির্যাতিতার পরিবারের।

Advertisement
দেব গোস্বামী
দেব গোস্বামী

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৪, ২০২৬, ১৯:৫৫

link
দেব গোস্বামী
দেব গোস্বামী

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৪, ২০২৬, ১৯:৫৫

options
link
শান্তিনিকেতনে হোমের আড়ালে দেহ ব্যবসা! নাবালিকাকে লাগাতার ধর্ষণে অভিযুক্ত নিরাপত্তারক্ষী-সহ ২ zoom
প্রতীকী ছবি

শান্তিনিকেতনে (Santiniketan) হোমের আড়ালে দেহ ব্যবসা! নাবালিকাকে দিনের পর দিন ধর্ষণ! অভিযোগ হোমের নিরাপত্তারক্ষী-সহ দু’জনের বিরুদ্ধে। লাগাতার নির্যাতনের জেরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

শুধু নির্যাতিতা নয়, হোমের আরও মেয়েকেও ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। হোম কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রতিদিন সন্ধ্যায় মেয়েদের সাজিয়ে অন্য একটি ঘরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে ঘুমের ওষুধ জাতীয় খাইয়ে নির্যাতন চলে বলেও অভিযোগ। থানায় অভিযোগ জানিয়েছে নাবালিকার পরিবার। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। শুক্রবার এই ঘটনার প্রতিবাদে থানায় ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান নাবালিকার পরিবার ও স্থানীয়ারা। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য এলাকায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নাবালিকার পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন কুড়ি আগে নাবালিকা তার প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যায়। থানায় অভিযোগ জানায় পরিবার। পুলিশ ও চাইল্ড হেল্প লাইনের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয়। নাবালিকাকে পাঠানো হয় শান্তিনিকেতনের হোমে। অভিযোগ, শান্তিনিকেতনের ওই হোমে তাকে লাগাতার ধর্ষণ করা হয়। নিরাপত্তারক্ষী-সহ দু’জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

নাবালিকার মা বলেন, “আমার মেয়ে মুর্শিদাবাদের একটি ছেলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। পুলিশে অভিযোগ জানাতেই উদ্ধার করা হয়। শান্তিনিকেতনের হোমে কাউন্সেলিংয়ের জন্য রেখে দেওয়া হয়। এরপরই মঙ্গলবার হোম থেকে জানানো হয় মেয়ের পেটে ব্যথা। এরপর আমরা বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে এসে জানতে পারি মেয়েকে প্রায় প্রতিদিন হোমের নিরাপত্তারক্ষী-সহ আরও একজন ধর্ষণ করেছে।” নাবালিকার বাবা বলেন, “মেয়ের কাছে জানতে পেরেছি শুধু আমার মেয়েকে নয়, হোমের বাকি মেয়েদেরও সন্ধ্যা হলেই সাজিয়ে রাখা হত। তারপর ঘুমের ওষুধ জাতীয় কিছু খাইয়ে বাইরে থেকে লোক আনিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে। হোমে কর্মরত নিরাপত্তারক্ষী ও কর্মীরা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। বর্তমানে আমার মেয়ে শয্যাশায়ী। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি করছি।”

অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হোমের সুপার জলি বিশ্বাস। তিনি বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইউরিন ইনফেকশন নিয়ে কেন মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে বোধগম্য হচ্ছে না।” জেলার চাইল্ড প্রটেকশন আধিকারিক সংযুক্তা ভট্টাচার্য জানান, “২০১৮ সাল থেকে এই হোমের বিরুদ্ধে আজ পর্যন্ত কোনও অভিযোগ নেই। ইতিমধ্যেই আমরা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।” লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.