Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৫ জুলাই ২০২৬
Minor girls allegedly molested in Purulia's correctional home

সরকারি হোমে নাবালিকাদের উপর শারীরিক ও মানসিক ‘নির্যাতন’, আদালতে আত্মসমর্পণ সুপারের

গত ২০২০ সালের ডিসেম্বরে এই হোমের নাবালিকারা জেলা আদালতের বিচারকের কাছে নির্যাতনের কথা জানায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৭, ২০২২, ১৭:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৭, ২০২২, ১৭:০৬

options
link
সরকারি হোমে নাবালিকাদের উপর শারীরিক ও মানসিক ‘নির্যাতন’, আদালতে আত্মসমর্পণ সুপারের zoom
ছবি: প্রতীকী।

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: সরকারি হোম আনন্দমঠের আবাসিক নাবালিকাদের উপর শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগ। পুরুলিয়া জেলা আদালতে আত্মসমর্পণ আনন্দমঠের হোমের সুপার সৌমিলী দাসের। শনিবার সকালে জেলা আদালতের পকসো স্পেশ্যাল কোর্টে আত্মসমর্পণ করে সে।

পুরুলিয়ার টামনা থানার শিমুলিয়া গ্রামের অদূরে আনন্দমঠ জুভেনাইল হোম। এই হোমে প্রায় ৪৯ জন আবাসিক নাবালিকা রয়েছে। বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে পড়া নাবালিকাদের আদালতের নির্দেশে এই হোমে আশ্রয় দেওয়া হয়। মুক্তিও পায় আদালতের নির্দেশে। গত ২০২০ সালের ডিসেম্বরে এই হোমের নাবালিকারা জেলা আদালতের বিচারকের কাছে তাদের করুণ কাহিনির কথা জানায়। তারা অভিযোগ করে, হোমে থাকা তিনজন নাবালিকাদের উপর শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করে। ওই তিনজনের মধ্যে একজন শিশির কাকু, অন্যজন আনন্দমঠ হোমের সুপার, আরও একজন অপরিচিত অভিযুক্তের কথাও বলে তারা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: সৌরভের বাড়িতে ‘শাহী’ নৈশভোজ নিয়ে জোর তরজা, খোঁচা দিলীপের, পালটা দিলেন কুণালও]

অভিযোগ পাওয়ার পরই জেলা আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক হোমে তদন্তে যান। জেলা আদালতের প্রধান বিচারকের কাছে তদন্তের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দেন। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই জেলা আদালতের প্রধান বিচারক জেলার পুলিশ সুপারকে এফআইআর করার নির্দেশ দেন। জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে সদর মহিলা থানায় গত ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০ সালে অভিযোগ দায়ের হয়। তার ভিত্তিতেই মামলা শুরু হয়।

সামাজিক সুরক্ষা দপ্তরে করণিক শিশির মাহাতো (শিশির কাকু) এবং ওই হোমের সুপার সৌমিলী দাসের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা পড়ে। অভিযুক্ত হোমের সুপার সৌমিলী দাস প্রথমে কলকাতা হাই কোর্ট এবং পরে সুপ্রিম কোর্টে জামিনের আবেদন জানান। সর্বোচ্চ আদালতের বিচারপতি রাজ্যের ডিজির কাছে জানতে চান কেন অভিযুক্ত হোমের সুপারকে গ্রেপ্তার করা হয়নি? পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগও আনেন। হলফনামা দিয়ে জানাতে বলা হয়। অভিযুক্ত হোমের সুপার সৌমিলী দাস জেলা আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। বিচারক অভিযুক্তকে আগামী ২০ মে পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। অপর অভিযুক্ত শিশির মাহাতো কলকাতা হাই কোর্টে জামিনে আবেদন করে।

[আরও পড়ুন: পরপুরুষে মজেছেন স্ত্রী! সন্দেহের বশে বছরদুয়েকের সন্তানের সামনেই গৃহবধূকে ‘খুন’ স্বামীর]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.