BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

আয়কর আধিকারিক সেজে গৃহকর্ত্রীকে ইঞ্জেকশন দিয়ে সর্বস্ব লুট, চাঞ্চল্য বাঁকুড়ায়

Published by: Sayani Sen |    Posted: March 15, 2020 4:26 pm|    Updated: March 15, 2020 4:41 pm

An Images

টিটুন মল্লিক, বাঁকুড়া: দিনেদুপুরে বাড়িতে ঢুকে মহিলাকে বেঁধে রেখে ইঞ্জেকশন দিয়ে লুঠপাট চালাল দুষ্কৃতীরা। রবিবার সকালে দুঃসাহসিক এই ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়া শহরের হাট মহাতাপ লেনে। অভিযোগ, আয়কর দপ্তরের আধিকারিক পরিচয় দিয়ে বাড়ির ভিতরে ঢুকে পড়ে দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনার পরই এলাকার নিরাপত্তায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

বাঁকুড়া শহরের হাটমহাতপ লেনে নিজের বাড়িতে স্বামীর সঙ্গে থাকেন চৈতালী দত্ত। তিনি শাড়ির ব্যবসা করেন। পাশাপাশি বাড়িতে তাঁর একটি বিউটি পার্লারও রয়েছে। রবিবার সকালে স্বামী কাজে বেরিয়ে যান। তারপর তিনি একাই ছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় সাত-আটজন দুষ্কৃতী তাঁর বাড়ির দরজায় ধাক্কা দেন। মহিলা তাদের পরিচয় জানতে চান। ওই অপরিচিত ব্যক্তিরা জানায় তারা আয়কর দপ্তরের আধিকারিক। তা শুনে বাড়ির দরজা খুলে দেন চৈতালী দত্ত। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাড়িতে ঢোকার পরই তারা ওই মহিলাকে বেঁধে ফেলে। জোর করে ইঞ্জেকশন দেওয়া হয় তাকে। এই অবস্থায় বাড়িতে অবাধে লুঠপাঠ চালিয়ে চম্পট দেয় ওই দুষ্কৃতীরা।

[আরও পড়ুন: ৫ গুণ দামে বিকোচ্ছে সাধারণ মাস্ক, নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে হিমশিম আমজনতা]

মাঝে কেটে যায় বেশ কয়েকঘণ্টা। এরপর বাড়ির কাজের লোক ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তিনি দেখেন চৈতালী বাড়ির বারান্দায় হাত, পা, মুখ বাঁধা অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। খবর দেওয়া হয় প্রতিবেশীদের। ঘটনার খবর পৌঁছয় বাঁকুড়া সদর থানায়। তড়িঘড়ি পুলিশ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পুলিশ অসুস্থ অবস্থায় চৈতালী দত্তকে বাঁকুড়ার সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠায়। সেখানেই আপাতত চিকিৎসাধীন ওই মহিলা। শহরের ঘন জনবসতিপূর্ণ এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে এই চুরির ঘটনায় এলাকায় ব্যানক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ওই মহিলার প্রতিবেশী অসিত পাল বলেন, “সাদা গাড়িতে চেপে দুষ্কৃতী দলটি এসেছিল। এই ঘটনার পর সত্যিই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।” চৈতালী দত্তের মামা সত্যেন দত্ত বলেন, “বাঁকুড়া শহরে দিনেদুপুরে এই ধরনের ঘটনা আগে ঘটেনি।” ইঞ্জেকশন দিয়ে বাড়ি থেকে চুরির ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পুলিশি নিরাপত্তা।

ছবি: সিদ্ধার্থ চট্টোপাধ্যায়

[আরও পড়ুন:  ফ্রান্স থেকে ফিরতেই জ্বর, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে ভরতি হলেন চিকিৎসক]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement