অর্ণব দাস, বারাসত: রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রের কালেকশনের টাকা ব্যাঙ্কে জমা দিতে যাওয়ার সময় ছিনতাই! এক কর্মীকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে দশ লক্ষের বেশি টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শনিবার ভরদুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে দেগঙ্গা থানার গোঁসাইপুর বাজার সংলগ্ন হাড়োয়া রোড এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রাহকদের সুবিধার্থে শহর ও গ্রামের জনবহুল স্থানে গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে বা কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্ট তৈরি করে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলি। দেগঙ্গার গোঁসাইপুর বাজারেও তেমনই একটি গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে রয়েছে। ব্যাঙ্কে না গিয়ে গ্রাহকরা এই কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্টে এসে লেনদেন করে থাকেন। দিনের শেষে কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্টের কর্মী গিয়ে গ্রাহকদের জমা দেওয়া টাকা ব্যাঙ্কে গিয়ে জমা দেন।
[আরও পড়ুন: ঋণের বোঝা কমাচ্ছে রাজ্য, তথ্য তুলে ধরে বিধানসভায় দাবি চন্দ্রিমার]
এদিন দুপুরে গোঁসাইপুর বাজারের ওই গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রের কর্মী মুন্সি আশানুর জামাল কালেকশনের টাকা ব্যাগে নিয়ে হেঁটে হাড়োয়া রোড ধরে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, কিছুটা যাওয়ার পর ফাঁকা জায়গায় আসতেই একটি বাইকে দুই দুষ্কৃতী এসে তাঁর মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে ব্যাগভর্তি টাকা ছিনতাই করে। দুষ্কৃতীদের ধরতে কিছুটা পথ ধাওয়াও করেছিলেন আশানুর। কিন্তু দুষ্কৃতীরা আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে ধরলে তিনি পিছিয়ে আসেন। তখন বাইকের গতি বাড়িয়ে হাড়োয়া রোড ধরেই চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। এই খবর জানাজানি হতেই গ্রামে শোরগোল পরে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রের কর্মী মুন্সি আশানুর জামাল জানান, “প্রতিদিনের মত এদিনও কালেকশন নিয়ে ব্যাঙ্কে জমা করতে যাচ্ছিলাম। ব্যাগে ১০ লক্ষ ৩৭হাজার টাকা ছিল। পুরোটাই লুট করে চম্পট দিয়েছে দুই দুষ্কৃতী। আমার ধারণা দুষ্কৃতীরা আগে থেকে আমায় ফলো করেছিল। দুজনের মুখেই মাস্ক পরা ছিল।” যদিও দেগঙ্গা থানার পুলিশ জানিয়েছে, গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রের ওই কর্মী ১০ লক্ষ টাকা ছিনতাই হয়েছে বলে দাবি করলেও উনি ১ লক্ষ টাকার হিসেব দিতে পেরেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। দুষ্কৃতীদের খোঁজ চালানো হচ্ছে।
[আরও পড়ুন: উপত্যকায় অশান্তির জের! BSF-এর প্রধান ও উপপ্রধানকে সরাল কেন্দ্র]
সর্বশেষ খবর
-
‘এটাই আমার আশীর্বাদ ও অভিশাপ’, উইম্বলডন স্বপ্নভঙ্গেও হতাশ নন জকোভিচ, অবসর নিয়ে কী বার্তা?
-
রোগীকে মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন! মেদিনীপুর মেডিক্যালের পাঁচ জনকে শোকজ করল স্বাস্থ্য দপ্তর
-
মাঝরাতে টলমল পায়ে শৌচালয়ে! গর্ভাবস্থার শেষ পর্যায়ে কেমন অনুভূতি? জানালেন হবু মা দীপিকা
-
মেডিক্যাল ভিসায় কলকাতায় এসে চোরাই মোবাইল পাচারের নেটওয়ার্ক, গোয়েন্দা জালে বাংলাদেশের ‘ডলার’
-
ফের বারুইপুরে মুখ্যমন্ত্রী, নির্যাতিতা ও ‘নির্দোষ’ ইন্দ্রজিতের পরিবারের সঙ্গে কথা শুভেন্দুর