৩০ কার্তিক  ১৪২৬  রবিবার ১৭ নভেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে গুরুতর জখম এক যুবক। মারের হাত থেকে তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন স্ত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুর থানার গড়িয়া সবুজ সংঘ এলাকায়। গুরুতর জখম ওই যুবকের নাম ছোট্টু দাস। গড়িয়ার সবুজ সংঘ এলাকাতেই থাকেন ছোট্টু।

[আরও পড়ুন: উষসী নিগ্রহ কাণ্ডে কড়া পদক্ষেপ লালবাজারের, সাসপেন্ড চারু মার্কেট থানার এসআই ]

সূত্রের খবর, মঙ্গলবার রাতে গড়িয়া সবুজ সংঘ এলাকায় একটি বাড়িতে চুরি হয়। খোয়া যায় বেশ বহুমূল্য সোনার গয়না।  প্রতিবেশীর সন্দেহের করে ছোট্টু দাসকে। অভিযোগ,  বুধবার সকালে ছোট্টুকে স্রেফ সন্দেহের বশে বেধড়ক মারধর করেন স্থানীয় কয়েকজন যুবক। স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন ছোট্টুর  স্ত্রীও। স্ত্রীর নাম প্রিয়া দাস। ছোট্টু পেশায় রিকশা চালক। স্ত্রী পিয়া দাসের অভিযোগ, ওই চুরির ঘটনার সঙ্গে তাঁর স্বামী কোনও ভাবে জড়িত নন। পাড়ার কয়েকজন যুবক মিলে ছক কষেই ওই যুবককে মেরেছে। এর পাশাপাশি পিয়া দাবি করেন, যারা ছোট্টুকে মেরেছে তারা এলাকায় মাদক দ্রব্য বিক্রি করে।

[আরও পড়ুন: ‘দুষ্কৃতীদের রেয়াত নয়’, সাম্প্রতিক ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীকে খোলা চিঠি মুসলিম নাগরিকদের ]

সূত্রের খবর, নরেন্দ্রপুর থানায় এই গোটা ঘটনার কথা জানিয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ছোট্টুর পরিবারের তরফে। নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ বুধবার সন্ধ্যায় জখম ছোট্টুকে উদ্ধার করে প্রথমে সুভাষগ্রাম হাসপাতালে ভরতি করে। তবে পরে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় গড়িয়া সবুজ সংঘের বাসিন্দা ছোট্টুকে। ছোট্টু দাসের স্ত্রী পিয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। তবে গড়িয়ার গণপিটুনির ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কেউ আটক বা গ্রেপ্তার হয় নি বলেই জানা গিয়েছে। 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং