Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Mohammed Salim

‘সেলফি তোলা মানেই প্রেম নয়’, হুমায়ুন সাক্ষাৎ নিয়ে বিতর্কের মাঝে কী সাফাই সেলিমের?

জোট প্রশ্নে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারকে একহাত নেন সেলিম।

Advertisement
সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২৬, ২০:০৩

link
সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২৬, ২০:০৩

options
link
‘সেলফি তোলা মানেই প্রেম নয়’, হুমায়ুন সাক্ষাৎ নিয়ে বিতর্কের মাঝে কী সাফাই সেলিমের? zoom

বুধবার রাত থেকে চর্চায় সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম (Mohammed Salim) ও জেইউপি প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীরের সাক্ষাৎ। বামেরা আদর্শ থেকে সরে আসছে, এমন কটাক্ষও উড়ে আসছে। দলের নিচুতলার কর্মীরাও এই সাক্ষাৎ মোটেই ভালোভাবে নেয়নি। প্রকাশ্যে নিন্দা করতেও শোনা যাচ্ছে। তারই মাঝে হুমায়ুন সাক্ষাৎ নিয়ে মুখ খুললেন মহম্মদ সেলিম। বললেন, “সেলফি তোলা মানেই প্রেম নয়।” অর্থাৎ কারও সঙ্গে সাক্ষাৎ মানেই জোট নয়, তেমনটাই দাবি করলেন তিনি। পাশাপাশি ছাব্বিশের জোট নিয়ে দলের অবস্থানও স্পষ্ট করে দিলেন তিনি।  

ঠিক কী বলেছেন সেলিম? তাঁর কথায়, “সেলফি তোলা মানেই প্রেম নয়। কারও মুখে ঝাল না খেয়ে আমি চেখে দেখি না।” যারা বিজেপি ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে, সবার সঙ্গেই আলোচনা চান বলেই জানান তিনি। কে কী চাইছে তা বুঝে তারপর দলে আলোচনা হবে। সিদ্ধান্ত তার পরে। এদিন মহম্মদ সেলিম বলেন, “সিপিআইএমের বৈঠক হয় আলিমুদ্দিন দপ্তরে। রাজনৈতিকভাবে সমঝোতা, আসন সমঝোতা, ভাগাভাগি, এগুলো সব আলিমুদ্দিনে হয়। অন্য রাজনৈতিক দল যদি থাকে তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়। এখন আমরা সেই পর্যায়ে রয়েছি।”

Advertisement

সেলিম আরও বলেন, “আমাদের শরিক দলগুলোর সঙ্গে আসন সমঝোতা চলছে। সেটা দু-এক দিনের মধ্যে শেষ হবে। আমরা আগে থেকেই বলে দিয়েছি বামফ্রন্ট অগ্রাধিকার পাবে। তারপর অনেক বামপন্থী দল আছে, ব্যাক্তি আছে, গোষ্ঠী আছে যারা বামফ্রন্টের মধ্যে নেই তাঁরা বিজেপি এবং তৃণমূলকে হারানোর জন্য এককাট্টা হচ্ছে। তাঁদের সঙ্গেও কথাবার্তা চলছে। এরপর বাইরের যারা বিজেপি-তৃণমূলের বিরুদ্ধে টেকসই লড়াই দেবে বলে মনে হবে, শেষ পর্যন্ত থাকবে মানুষের অধিকার-দাবি দাওয়ার কথা বলার জন্য তাঁদের সঙ্গে আমরা কথা বলব।” এরপরই হুমায়ুন প্রসঙ্গ তুলে সেলিম আরও বলেন, “হুমায়ন কবীর একটা সময়ে মমতার কোলে ছিল। আবার বিজেপিতে গেল। প্রার্থী হল। আবার তৃণমূলে এসে এমএলএ হল। সেগুলোতে কোনও সমস্যা নেই। এখন কে কাকে চোখ মেরেছে সেটা চোখের বালি হয়ে যাচ্ছে!”

এখানেই শেষ নয়। এদিন জোট প্রশ্নে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারকে একহাত নেন সেলিম। তিনি বলেন, “অধীর চৌধুরী যখন কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন তখন বামফ্রন্টের সঙ্গে আসন সমঝোতা হয়েছিল।এখন যিনি সভাপতি হয়েছেন শুভঙ্করবাবু, তাঁর তৃণমূলের প্রতি একটু বেশি দরদ আছে। তিনি নিজে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। এআইসিসি কী বলবে তার জন্য অপেক্ষা করছেন। বামফ্রন্ট দীর্ঘদিন অপেক্ষা করে থাকতে পারে না। আমরা নির্বাচনের কাজ শুরু করে দিয়েছি।কংগ্রেসকে ঠিক করতে হবে যে তাঁরা বিজেপির সঙ্গে যাবে তৃণমূলের সঙ্গে যাবে না বামেদের সঙ্গে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.