Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২ জুলাই ২০২৬

নেপালের মাওবাদীদের সাহায্যে পাহাড়ে সশস্ত্র আন্দোলনের প্রস্তুতি মোর্চার!

গোয়েন্দা রিপোর্টে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৩, ২০১৭, ১০:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৩, ২০১৭, ১০:০৫

options
link
নেপালের মাওবাদীদের সাহায্যে পাহাড়ে সশস্ত্র আন্দোলনের প্রস্তুতি মোর্চার! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে ফের আন্দোলন শুরু হয়েছে পাহাড়ে। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে দার্জিলিংয়ে কার্যত তাণ্ডব চালাচ্ছেন মোর্চা সমর্থকরা। আর পাহাড়ে এই অশান্তিতে মোর্চাকে মদত দিচ্ছে জঙ্গিরা। এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের সেই আশঙ্কা যে অমূলক নয়, গোয়েন্দা রিপোর্টে বারবারই তার প্রমাণ মিলছে। রাজ্যের গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, পাহাড়ে পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে এবার দীর্ঘমেয়াদি সশস্ত্র আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। দলের কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য প্রতিবেশী দেশ থেকে মাওবাদীদের ভাড়া করা হয়েছে।

[পাহাড়ে মোর্চার আন্দোলনকে সমর্থন, নেপালের মাওবাদীদের চিঠি]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বস্তুত, গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে নেপালের মাওবাদীরা যে মোর্চার পাশে রয়েছে, তা আগেই টের পেয়েছিলেন গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, গত মাসেই এক গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছিল, পাহাড়ের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছে নেপালের মাওবাদী। এই নিয়ে মোর্চা নেতৃত্বকে চিঠিও দিয়েছে প্রতিবেশী দেশের মাওবাদীরা। কিন্তু, এবার গোয়েন্দা রিপোর্টে যে তথ্য মিলেছে, তা আরও মারাত্বক। রাজ্য পুলিশের এডিজি আইনশৃঙ্খলা অনুজ শর্মা জানিয়েছেন, গোয়েন্দা সংস্থাগুলি রিপোর্ট দিয়েছে, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মাওবাদীদের ভাড়া করেছে মোর্চা। আগামী দিনে পাহাড়ে  সরকারি সম্পত্তি, পুলিশ ও প্রশাসনের পদস্ত আধিকারিকদের ওপর হামলা হতে পারে। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই দলের কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য ২৫ থেকে ৩০ জন মাওবাদীকে ভাড়া করেছে মোর্চা নেতৃত্ব। রাজ্য প্রশাসনের এক পদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, গত কয়েক বছর ধরে পাহাড়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র মজুত করেছে মোর্চা নেতৃত্ব। পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে এখন পাহাড়ে সশস্ত্র আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা।

[মোর্চার আন্দোলনের নেপথ্যে জঙ্গিদের হাত, অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর]

দার্জিলিংকে পাহাড়ের রানি বলা হয়। তবে শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের জন্যই নয়, ভৌগলিক কারণেই দার্জিলিংয়ের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।  রাজ্যের এই জেলার তিনদিকে তিনটি দেশ। কিন্তু, জুনের প্রথম সপ্তাহ থেকে পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে আন্দোলনের জেরে উত্তপ্ত দার্জিলিং। একমাসের বেশি সময় ধরে লাগাতার বনধ চলছে পাহাড়ে। মোর্চার তাণ্ডবে পুড়ছে বহু সরকারি সম্পত্তি। খোদ মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুংয়ের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর অস্ত্র।  পরিস্থিতি মোকাবিলায় পাহাড়ে মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তাবাহিনী। বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ আইপিএস অফিসারকেও দার্জিলিংয়ে পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রেক্ষাপটে দার্জিলিং নিয়ে গোয়েন্দা সাম্প্রতিতম রিপোর্ট রাজ্য প্রশাসনের চিন্তা আরও বাড়িয়ে দিল, তা বলাই বাহুল্য।

[রাজ্য জুড়ে তুমুল বৃষ্টিপাত, একাধিক জেলায় বন্যা পরিস্থিতি]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.