BREAKING NEWS

১৫ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  মঙ্গলবার ১ ডিসেম্বর ২০২০ 

Advertisement

মহাপঞ্চমীতেও রেকর্ড সংক্রমণ বাংলায়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ৪ হাজারের বেশি

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: October 21, 2020 8:43 pm|    Updated: October 21, 2020 9:01 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহাপঞ্চমীতেও রেকর্ড সংক্রমণ বাংলায়। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যের ৪ হাজারেরও বেশি মানুষের শরীরে থাবা বসিয়েছে মারণ করোনা (Coronavirus)। ভাইরাসের সঙ্গে লড়াইয়ে হার মেনেছেন ৬৪ জন। এই পরিসংখ্যানই বাড়াচ্ছে দুশ্চিন্তা। তবে কী চিকিৎসকদের আশঙ্কা সত্যি করে হু হু করতে রাজ্যে বাড়তে চলছে সংক্রমিতের সংখ্যা? এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে রাজ্যবাসীর মনে। 

পুজোর (DurgaPuja2020) কেনাকাটার ভিড়ই চিন্তা বাড়িয়েছিল চিকিৎসকদের। তাঁরা আশঙ্কা করেছিলেন এভাবে জমায়েত হলে এক ধাক্কায় কয়েকগুণ বাড়বে সংক্রমিতের সংখ্যা। তাই পুজোয় প্রতিমা দর্শনের ভিড়ে লাগাম পরাতে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছিলেন। বারবার সতর্ক করেছিলেন সাধারণ মানুষকে। সংক্রমণ রুখতে পুজোর ক্ষেত্রে একাধিক নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট। এসব সত্ত্বেও পুজোর মুখেই লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমিতের সংখ্যা। স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে সংক্রমিত ৪,০৬৯ জন। তাঁদের মধ্যে ৮৭৯ জনই কলকাতার। অর্থাৎ সংক্রমণের নিরিখে ফের প্রথম স্থানে তিলোত্তমা। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। একদিনে সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৮৭২ জন। তৃতীয় স্থানে হাওড়া। সেখানে নতুন করে করোনা আক্রান্ত ২৬৮ জন। এছাড়াও এদিন কম বেশি সব জেলাতেই হদিশ মিলেছে নতুন আক্রান্তের। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩, ২৯, ০৫৭। শেষ ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৬৪ জনের মধ্যে ১৯ জন করে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনার। অর্থাৎ মৃত্যুর নিরিখে এই দুই জেলাই প্রথমে। 

[আরও পড়ুন: তিন বছর পর প্রকাশ্যে ‘ফেরার’ বিমল গুরুং, সল্টলেকে এসেও ঢুকতে পারলেন না গোর্খাভবনে]

এসবের মাঝে সামান্য আশার আলো সুস্থতার হার। এই একদিনে সুস্থ হয়েছেন বাংলার ৩, ৫৯৬ জন। তাঁদের মধ্যে ৭৯৫ জনই কলকাতার। অতএব সংক্রমণ, মৃত্যুর পাশাপাশি সুস্থতার নিরিখেও প্রথম স্থানে তিলোত্তমা। দ্বিতীয়তে উত্তর ২৪ পরগনা। একদিনে সেখানকার ৭৯২ জন মারণ ভাইরাসকে পরাস্ত করে ঘরে ফিরেছেন হাসিমুখে। পরিসংখ্যান বলছে, একদিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৩, ৫৯২ জনের। 

[আরও পড়ুন: সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে NEET’তে দারুণ ফল, দরিদ্র পরিবারের রুনা খাতুনের জন্য গর্বিত গ্রাম]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement