সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের দাপট শুরু করোনার (Coronavirus)। গত ২৪ ঘণ্টায় এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়ল সংক্রমণ। একদিনে বাংলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৪৫ জন। যা আগের দিন ছিল ২৯৫। আক্রান্তদের মধ্যে ৩৩৯ জনই কলকাতায়। এই কোভিড গ্রাফ নিঃসন্দেহে দুশ্চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে রাজ্যবাসীর কপালে।
বছর শুরুতে করোনা চোখ রাঙালেও দ্রুতই তা আয়ত্তেও এসেছিল। কার্যত উধাও হয়েছিল করোনা। ফলত স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছে রাজ্যবাসী। রাস্তাঘাটে অনেকেই মাস্ক, স্যানিটাইজার ব্যবহারও বন্ধ করে দিয়েছেন। এরই মাঝে নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে করোনা সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ৩৩৯ জন কলকাতার। অর্থাৎ সংক্রমণের নিরিখে প্রথমে ওই জেলা। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। একদিনে সংক্রমিত সেখানকার ২৩৮ জন।
[আরও পড়ুন: নিখোঁজ গরু-কুকুর, এদিক ওদিক পায়ের ছাপ, বাঘের আতঙ্কে ত্রস্ত ইসলামপুর]
দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি-সহ একাধিক জেলা থেকে সংক্রমিতের হদিশ মিলেছে। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা এক ধাক্কায় বেড়ে হয়েছে ২০, ২৩, ৫৮৭ জন। পজিটিভিটি রেট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭.৩০ শতাংশ। একদিনে অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যা ৩০২০। আপাতত হোম আইসোলেশনে রয়েছেন ২৯২৪ জন। আর হাসপাতালে ভরতি ৯৬ জন করোনা আক্রান্ত। এদিকে, বর্তমানে রাজ্যের সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্য়া বেড়ে দাঁড়াল ২৪৪৬ জন।
স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, একদিনে করোনাকে পরাস্ত করে ঘরে ফিরেছেন ১৭১ জন। অর্থাৎ মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা ১৯, ৯৯, ৩৩৫। সুস্থতার হার ৯৮.৮০ শতাংশ। তবে এদিন করোনা প্রাণ কাড়েনি। ফলে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনার বলি ২১, ২১২। মৃত্যুহার ১.০৫ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা পরীক্ষা হয়েছে ১০, ২০৫ জনের। এখনও পর্যন্ত করোনা পরীক্ষা হয়েছে ২৫, ৪৯৬, ৬৩০ জনের। একদিনে টিকাকরণ হয়েছে ৭১, ৩৯৮ জনের।
[আরও পড়ুন: বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জটিলতা? হালিশহরের ফ্ল্যাট থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য]
সর্বশেষ খবর
-
অগ্রিম ৫ লক্ষ টাকা দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট! জনতার দরবারে লেকটাউনের মহিলা
-
কমনওয়েলথ গেমসে ইতিহাস, সোনার মেয়ে অস্মিতাকে জমি, আর্থিক পুরস্কার দিল ত্রিপুরা সরকার
-
স্বাধীনতা দিবসে লোকভবনে আমন্ত্রিত ৪ হাজার, অনুষ্ঠানে অন্য ৫ রাজ্যও, নবান্নের গুচ্ছ গাইডলাইন
-
সুজিতের অ্যাকাউন্টে নিয়োগ দুর্নীতির ৮ কোটিরও বেশি টাকা, হাই কোর্টে চাঞ্চল্যকর দাবি ইডির
-
সঙ্গীদের নাম আড়াল করতে মোবাইল ভাঙে জঙ্গি রানা! নোটবুক হাতড়ে খোঁজ মিলল ৬ পাক চরের