দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি: সম্প্রতি জাঙ্গিপাড়ায় দিলীপ ঘোষের সভার পরই শনিবার জাঙ্গিপাড়ার রাজবলহাটে শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভায় ভিড় উপচে পড়ল। এদিনের সভা দেখে মনে হচ্ছিল যেন কোনও নির্বাচনী জনসভা হচ্ছে। আর সেই ভরা সভায় বিজেপির ‘হাত-পা ভাঙা’ নিয়ে মন্তব্য করেন সাংসদ। তৃণমূল সাংসদের সভা শেষ হওয়ার পরই অবশ্য এ নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বলেন, তাঁর সভা দেখেই এলাকায় সভা করলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন কল্যাণবাবু দলত্যাগীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “যাঁরা দল ছেড়ে চলে গিয়েছেন, মনে করবেন বদ রক্ত চলে গিয়েছে। আসলে যাঁরা মাল খেয়েছে তারাই ভয় পেয়ে দল ছেড়ে চলে গিয়েছেন। আর যাঁরা দলে থেকে লড়াই করছেন তাঁরাই সম্পদ। আগামী দিনে তাঁদের নিয়েই দল লড়বে।” পাশাপাশি মারের বদলা মারের নির্দেশ দিয়ে দলীয় কর্মীদের কার্যত তাতিয়ে দিলেন সাংসদ। বললেন, “বিজেপি যদি আপনার হাত পা ভাঙে তবে আপনারাও বিজেপির হাত পা ভাঙুন। আর যাঁরা ভয় পাবেন, তাঁরা পদ ছেড়ে দিয়ে বাড়িতে গিয়ে বসে থাকুন।” ‘শোলে’ সিনেমার সেই বিখ্যাত সংলাপ বলে সাংসদ বলেন, “যো ডর গয়া ও মর গয়া। ভয় পেলে জলে ডুবে মরুন।” এইভাবেই দলীয় কর্মী সমর্থকদের আগামী দিনের রাজনৈতিক লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিলেন সাংসদ। এদিনের জনসভায় সাংসদ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হুগলি জেলা তৃণমূলের সভাপতি দিলীপ যাদব, জাঙ্গিপাড়ার বিধায়ক স্নেহাশিস চক্রবর্তী, জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ সুবীর মুখোপাধ্যায় প্রমুখ।
[ আরও পড়ুন: সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জের, দুই বোন ও ভাগনিকে খুনের অভিযোগে ধৃত যুবক ]
তবে তৃণমূল সাংসদের সভা ও সভায় তাঁর বক্তব্যের পরই পালটা দিলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “কয়েকদিন আগেই আমি জাঙ্গিপাড়ায় সভা করেছি। তাই আজ পালটা সভা করতে হল তৃণমূলকে। এসব করে লাভ নেই। মানুষই ওদের সঙ্গে নেই।”
[ আরও পড়ুন: অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাদের গ্রেপ্তারির দাবি, দুর্গাপুরে দীর্ঘক্ষণ জাতীয় সড়ক অবরোধ আদিবাসীদের ]
সর্বশেষ খবর
-
‘চটিচাটা’ বনাম ‘বুটচাটা’, কল্যাণ ও রাজ্যের এজির বাকবিতণ্ডায় হাই কোর্টে তুলকালাম
-
ব্রিগেডে ৩ লক্ষাধিক ভক্তের সমাগমে হবে রামকথা! গীতাপাঠের পর নতুন কর্মসূচি শহরে
-
পুজোর চারদিন ‘স্পেশাল ক্যান্টিন’, দরিদ্রদের মুখে হাসি ফোটাতে বিশেষ উদ্যোগ কৌস্তভের
-
অমৃতার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর সইফের জীবনে ‘ওগো বিদেশিনী’! ‘ঘর ভাঙানি’র ভূমিকায় করিনা?
-
গান্ধীর সঙ্গে হাজতবাস, ১০০ বছর বয়সেও বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা দিয়েছেন কলকাতার বিপ্লবী সইফউদ্দিন