Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

উচ্চ মাধ্যমিকে টোকাটুকিতে বাধা শিক্ষকদের কড়া নজর! প্রতিবাদে স্কুলে ভাঙচুর, দেড় লক্ষ ক্ষতিপূরণ দাবি

মুর্শিদাবাদের ফরাক্কায় শোরগোল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২৫, ১৬:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২৫, ১৬:০৪

options
link
উচ্চ মাধ্যমিকে টোকাটুকিতে বাধা শিক্ষকদের কড়া নজর! প্রতিবাদে স্কুলে ভাঙচুর, দেড় লক্ষ ক্ষতিপূরণ দাবি zoom
ফাইল ছবি

শাহজাদ হোসেন, ফরাক্কা: উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষকদের কড়া নজরদারি! যার জেরে ‘টোকাটুকি’ করতে পারেনি পরীক্ষার্থীরা। এর জেরে পরীক্ষাকেন্দ্রে ব্যাপক ভাঙচুরের করার অভিযোগ উঠল দুই স্কুলের পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা এলাকায়। এই ঘটনায় দুই স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ শিক্ষা সংসদের ডেপুটি সেক্রেটারি উৎপল বিশ্বাসকে চিঠি দিলেন ফরাক্কা ব্লকের নয়নসুখ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপন কুমার দাস।

নয়নসুখ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপনকুমার দাস জানান, এই স্কুলে পরীক্ষার সেন্টার পরেছিল। সেখানে ধর্মডাঙা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২৩৯ জন, নিউ ফরাক্কা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৩৮৬ জন ও তিলডাঙা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭৮ জন ছাএছাত্রী পরীক্ষা দেয়। ১০ মার্চ ফিলোজফি অর্থাৎ দর্শনের পরীক্ষা ছিল। সেদিন পরীক্ষায় বসেছিল নিউ ফরাক্কা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৪০ ছাত্র ও তিলডাঙা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২৭ জন ছাত্র। পরীক্ষা শেষে দুই স্কুলের ছাত্ররা পরীক্ষাকেন্দ্রের এগারোটা ঘরে ব্যাপক ভাঙচুর করে। ভাঙচুরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে টেবল (১০টি), আলো (১৪টি), সিলিং ফ্যান (৩০টি), চেয়ার (১০টি), হাই ও লো বেঞ্চ মোট (২১টি)। চিঠিতে বলা হয়েছে, “এই ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের ডেপুটি সেক্রেটারির কাছে লিখিত আকারে ক্ষতিপূরণ বাবদ ১ লক্ষ ৫০ হাজার ৪৩০ টাকা দাবি করে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিপূরণের টাকা না পেলে আগামীদিন নয়নসুখ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষা সেন্টার কোনওভাবেই করা সম্ভব হবে না।”

Advertisement

এ প্রসঙ্গে নিউ ফরাক্কা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মণিরুল ইসলাম জানান, “নয়নসুখ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের ডেপুটি সেক্রেটারিকে লেখা একটি চিঠির কপি হাতে পেয়েছি। তাতে উল্লেখ আছে, ছাত্ররা পরীক্ষাকেন্দ্রে ভাঙচুর করেছে। কী কারণে ভাঙচুর করেছে তা উল্লেখ নেই। এর জন্য কত টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবিষয়ে আমার জানা নেই। এ বিষয়ে পশ্চিম বঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ থেকে যদি কোন নির্দেশ আসে আমরা সেই বিষয়টি বিবেচনা করে দেখব।” যদিও তিলডাঙা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অভিজিৎ পাল জানান, “আমাকে নয়নসুখ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ফোন করে পরীক্ষা কেন্দ্রে ভাঙচুরের ঘটনা মৌখিকভাবে জানিয়েছিলেন। কোনও লিখিত কপি হাতে এখনও পাইনি। ক্ষতিপূরণের বিষয়টি আমার জানা নেই।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.