BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

৪৫ থেকে আচমকা অ্যাকাউন্টে ৮ লক্ষ টাকা, ব্যাঙ্কের ‘পরিষেবায়’ বিভ্রান্ত ব্যবসায়ী

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 5, 2018 4:00 pm|    Updated: September 18, 2019 11:23 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অ্যাকাউন্টে টাকা আছে আবার নেইও। নদিয়ার তাহেরপুরের কৃষ্ণ কুণ্ডু এমনই অভিজ্ঞতার সাক্ষী। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষর বদানত্যায় নিজের টাকা তুলতে পারছেন না ওই ব্যবসায়ী।

[রক্তদান জীবনদান, ৫২ বার রক্ত দিয়েও ক্লান্তিহীন কাটোয়ার জয়দেব]

ঠিক কী হয়েছে তাঁর সঙ্গে? তাহেরপুরের এ ব্লকের বাসিন্দার স্থানীয় একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট রয়েছে। কিছু দিন আগে ওই অ্যাকাউন্টে ছিল ৩০,১৪৫ টাকা। গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি দুবার করে ১০ হাজার টাকা তোলেন। এরপর ২০ ডিসেম্বর ফের ১০০ টাকা তোলেন। এই হিসাবে তাঁর অ্যাকাউন্টে ১০,০৪৫ টাকা থাকার কথা। এরপর তিনি অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। বন্ধ করার আগে তিনি এটিএম থেকে এক হাজার টাকা তোলার চেষ্টা করেন। কিন্তু তা হয়নি। এরপর দু দফায় পাঁচ হাজার টাকা তুলতে গেলেও ফল এক হয়। উলটে তিনি এটিএমের মিনি স্টেটমেন্ট থেকে আবিষ্কার করেন অ্যাকাউন্টে রয়েছে মাত্র ৪৫.২১ টাকা রয়েছে। স্বাভাবিকভাবে এই ঘটনায় তিনি তাজ্জব বনে যান। গোটা বিষয়টি কৃষ্ণবাবু ব্যাঙ্কে জানান। তাঁর অ্যাকাউন্টের এই আজব হিসাব নিয়ে কর্তৃপক্ষ জানায় কৃষ্ণবাবুর কার্ড থেকে নাকি দুবার শপিং করা হয়েছে। এই ব্যাখ্যায় পেশায় মশলা ব্যবসায়ী কৃষ্ণ কুণ্ডু বিরক্ত হন।

NADIA ACCOUNT PROBLEM

[জন্মভূমি রেজিনগরে গান স্যালুটে শহিদকে শেষ শ্রদ্ধা]

ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের তাহেরপুর শাখায় তিনি লিখিত অভিযোগ জানান। পাসবুক আপডেট করাতে গিয়ে তিনি অন্যরকম অভিজ্ঞতার সাক্ষী হন। দেখেন, অ্যাকাউন্ট ৪৫ টাকার জায়গায় রয়েছে ৮ লক্ষের বেশি টাকা। প্রথম পাসবুক ভরতি হয়ে যায়। নতুন পাসবুক আপডেট করেও অ্যাকাউন্টে ওই ব্যবসায়ী সমান অঙ্কের টাকা দেখেন। এটিএম মিনি স্টেটমেন্ট যেখানে বলছিল ৪৫.২১টাকা সেখানে নয়া আপডেটে দেখা যাচ্ছে ৮,৪১,৩২১ টাকা। গোটা ঘটনায় উনি বিভ্রান্তির শিকার। তবে ওই ব্যাঙ্কের শাখার ম্যানেজার নিশা ত্রিপাঠী ও কর্মীরা কথা বলতে চাননি। যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোনও ধরেননি। তবে কর্তৃপক্ষর সাফাই মেশিনের গণ্ডগোল নয় অপারেটিং সমস্যায় জন্য এই পরিস্থিতি।

ছবি: সুজিত মণ্ডল

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement