Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১১ জুলাই ২০২৬

উজ্জ্বল বাংলার মুখ, গৃহনির্মাণ প্রকল্পে দেশে সেরার শিরোপা পেল নদিয়া

ইতিমধ্যেই ৪৭,০৯৩টি বাড়ি তৈরির কাজ সম্পূর্ণ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০১৮, ১১:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০১৮, ১১:০৮

options
link
উজ্জ্বল বাংলার মুখ, গৃহনির্মাণ প্রকল্পে দেশে সেরার শিরোপা পেল নদিয়া zoom

বিপ্লব দত্ত,কৃষ্ণনগর: আবার একটি নতুন পালক জুড়ল নদিয়া জেলার মুকুটে। ভারতবর্ষের মধ্যে গ্রামীণ গৃহনির্মাণ প্রকল্পে প্রথম স্থান অধিকার করল নদিয়া জেলা। ২০১৬-১৭ এবং ২০১৭-১৮ আর্থিকবর্ষের এখনও পর্যন্ত ৪৮, ৫২০টি বাড়ি তৈরির মধ্যে ইতিমধ্যেই ৪৭,০৯৩টি বাড়ি তৈরির কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। যা মোট লক্ষ্যমাত্রার ৯৮.৯৬শতাংশ।

[গন্ধ শুঁকেই রং বলে দিচ্ছে কেতুগ্রামের এই ‘বিস্ময়’ বালিকা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ভারতবর্ষের মধ্যে দুই আর্থিকবর্ষে যা রেকর্ড। আর এই রেকর্ডই নদিয়া জেলাকে আবারও এনে দিল প্রথম স্থান। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে গৃহ অনুমোদনের হার, আধার সংযুক্তিকরণের হার, শতকরা কিস্তি প্রদানের হার, গৃহনির্মাণের হারের ওপর ভিত্তি করে স্থানভিত্তিতে বিভিন্ন রাজ্যের তালিকা তৈরি করা হয়। ওই তালিকায় দেশের মধ্যে শীর্ষ স্থান দখল করল নদিয়া জেলা। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তরপ্রদেশের ইটাওয়া, তৃতীয় স্থানে ছত্তিশগড়ের ধামতারি, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে উত্তরপ্রদেশের সন্ত কবীরনগর ও রাজস্থানের হনুমানগড়। ভারতের মধ্যে বিভিন্ন প্রকল্পে প্রথম স্থানে নদিয়ার উঠে আসাটা এই প্রথম নয়। জেলা পরিষদের বিদায়ী সভাধিপতি বাণী কুমার রায় বলেন, “সবার জন্য শৌচাগার প্রকল্পে নদিয়া ভারতের মধ্যে প্রথম হযেছিল। ২০১৫ সালে ইন্দিরা আবাস যোজনায় নদিয়াকে মডেল করেছিল কেন্দ্র সরকার। কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পে নদিয়া ভাল পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। রাজ্যে কন্যাশ্রী প্রকল্পে আমরা প্রথম স্থান পেয়েছি। এবার গ্রামীণ গৃহনির্মাণ প্রকল্পে ভারতের মধ্যে প্রথম স্থান পেলাম।”

জানা গিয়েছে, দুই আর্থিক বছরে এই জেলায় মোট অর্থনৈতিক বিনিয়োগ হল প্রায় ৬৬০ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রতি উপভোক্তা পিছু আর্থিক অন্তর্ভুক্তি স্কিম থেকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা এবং এমজিএনআরজি থেকে প্রায় ০.১৬ লক্ষ টাকা। শুক্রবার নদিয়ার জেলাশাসক সুমিত গুপ্তা ও জেলা পরিষদের অতিরিক্ত নির্বাহী আধিকারিক শেখর সেনের উপস্থিতিতে বিদায়ী সভাধিপতি বাণীকুমার এক সাংবাদিক বৈঠক করেন। তিনি জানান, ‘নদিয়া জেলার অন্যতম পদক্ষেপ হল মিশন নির্মল বাংলা ও এমজিএনআরজি-র সমন্বয় সাধন করে প্রত্যেক উপভোক্তার বাড়িতে একটা স্লাম প্রজেক্ট নির্মাণ করা। এখনও পর্যন্ত এই জেলায় ৪৫,১০৪টি উপভোক্তার বাড়িতে পোষক পিট ও কম্পাট পিট নির্মাণ করা হযেছে। দু’টি আর্থিক বছরে এখনও পর্যন্ত ২৭,৬১৫ জন উপভোক্তাকে ভর্তুকি-সহ রান্নার গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়েছে। জেলা পরিষদের তহবিল থেকে প্রয়োজন অনুসারে প্রায় ১৪,৩৭৯ জন নতুন উপভোক্তার বাড়িতে ইলেকট্রিক সংযোগ দেওয়া হয়েছে। সবমিলিয়ে ফের দেশের মধ্যে নজির গড়ল নদিয়া।

[ফের বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, উত্তপ্ত পুরুলিয়া]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.