৩১ ভাদ্র  ১৪২৬  বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

পলাশ পাত্র, তেহট্ট: মিড-ডে মিল নিয়ে তোলপাড় রাজ্যের বিভিন্ন জেলার স্কুলগুলি। কোথাও ডিম-ভাতের নাম করে স্কুল পড়ুয়াদের পরিবেশন করা হচ্ছে নুন-ভাত। তো কোথাও আবার অভুক্তই থাকতে হচ্ছে ছাত্রছাত্রীদের। এবার অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের মিড-ডে মিলে পোকা নিয়ে শোরগোল নদিয়ার তেহট্টে।

[আরও পড়ুন: চাকরির দেওয়ার লক্ষাধিক টাকার প্রতারণা, কেতুগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার তিন]

ঘটনা তেহট্টর নাটনার গোপালপুরের আইসিডিএস সেন্টারের। এদিন ডাল-ভাত-তরকারি রান্না হয়েছিল সেখানে। কিন্তু খেতে গিয়েই ঘটে বিপত্তি। স্থানীয়দের অভিযোগ, রান্না হওয়া ডাল-ভাতে মিলেছে পোকা। সেখানকার শিক্ষিকার বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন এলাকার বাসিন্দারা। এমনকী রান্না করা খাবার মুখে দেওয়া যাবে না বলে, ডাল-ভাত ছুঁড়ে ফেলে প্রতিবাদ জানান তাঁরা। অভিযোগ, অঙ্গনওয়াড়ির শিক্ষিকা দুটি সেন্টারেরও চার্জে রয়েছেন। ফলে তিনি এই সেন্টারে ঠিক মতো সময় দেন না। আর সেই কারণেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা মেনে রান্নাবান্না হয় না।

গোটা ঘটনার কথা পৌঁছায় তেহট্ট ১-এর যুগ্ম বিডিও বিধান বিশ্বাসের কানে। তাঁর দাবি, রান্নার আগে চালে বা ডালে পোকা ছিল না। রান্নার পর তা পাওয়া গিয়েছে। তাই প্রশাসন যে খারাপ খাদ্য সামগ্রী পাঠিয়েছে তা বলা যাবে না। কিন্তু কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা নিশ্চয়ই খতিয়ে দেখা হবে। এবং কেউ দোষী সাব্যস্ত হলে অবশ্যই তার বা তাদের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। যদিও ঘটনায় কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

[আরও পড়ুন: হাতে জাতীয় পতাকা, কচুয়ায় জ্যোতিপ্রিয়র সামনে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান পুণ্যার্থীদের]

উল্লেখ্য, দিন দুয়েক আগেই মিড ডে মিল ইস্যুতে শিরোনামে উঠে এসেছিল তেহট্টর সাধুবাজার প্রাথমিক স্কুল। জানা যায়, গত বুধবার পড়ুয়াদের জন্য সেখানে কোনও রান্নাই হয়নি। অথচ প্রধান শিক্ষিকা রান্নার খরচের বিল পাঠিয়ে দেন। বিষয়টি তেহট্ট ১-এর বিডিওর কানে পৌঁছতেই বিপাকে পড়েন প্রধান শিক্ষিকা। তাঁকে শোকজ করা হয় বলে খবর। যদিও এখনও পর্যন্ত শোকজের কোনও জবাব দেননি তিনি। তবে প্রতিদিনই খাবার নিয়ে এধরনের ঘটনা ঘটায় বেশ বিরক্ত পড়ুয়াদের অভিভাবকরা।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং