অরূপ বসাক, মালবাজার: খাবারের সন্ধানে বারবার লোকালয়ে হানা দিচ্ছে হাতির দল! যার ফলে ক্রমশ বাড়ছে মানুষের সঙ্গে হাতির সংঘাত। গত কয়েকমাসে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় হাতির হামলায় মৃত্যুর ঘটনাও পর্যন্ত ঘটেছে। যা নিয়ে জনমানসে ক্রমশ বেড়েছে ক্ষোভ। কিন্ত এ এক অন্য ছবি! যেখানে আতঙ্ক নয়, বনকর্মীদের সঙ্গে মা হাতি, শাবককে আগলে আমজনতাও!
সম্প্রতি নাগরাকাটার চ্যাংমারি চা বাগানে একটি হাতি রাতের অন্ধকারে শাবকের জন্ম দেয়। মা হাতি-সহ নবজাতককে সকাল থেকে ঘিরে রেখেছে হাতির দল। তাঁদের উপর যাতে কোনও আঁচ না আসে সেজন্য সতর্ক সাধারণ মানুষও। বনকর্মীদের সঙ্গে স্থানীয় মানুষজনও মা হাতি-সহ শাবককের দিকে নজর রেখেছেন। শুধু তাই নয়, হাতির পালকে দেখতে বাগানের চারদিকে ভিড় জমিয়েছেন স্থানীয় মানুষজন। যদিও বন আধিকারিকদের দাবি, সাবকটি এখনও দেখা যায়। জঙ্গলের মধ্যে সম্ভবত আড়ালে রয়েছে।
এলাকাটি নাগরাকাটা ধরনিপুর চাবাগান সংলগ্ন পানিঘাটা ডিভিশনের অন্তর্গত। সেখানে রাজ্য সরকারের ‘চা সুন্দরী’ প্রকল্পের পরিকাঠামো রয়েছে। সেই পরিকাঠামোর পেছনের ঝোপেই আশ্রয় নেয় হাতির দলটি। ডায়না রেঞ্জের রেঞ্জার অশেষ পাল জানিয়েছেন, “ঝোপের মধ্যে থাকার কারণে সাবককে দেখা যায়নি। হাতির দলকে কোনও ভাবেই যাতে কেউ না বিরক্ত করে সেজন্য বনকর্মীরা সারাক্ষণ এলাকায় পাহাড়ায় ছিল।” ওই বন আধিকারিকের কথায়, ”সম্ভবত বুধবার ওই সবকের জন্ম হয়েছে।” তবে শাবক-সহ হাতির দলটি ডায়না জঙ্গলের দিকে গিয়েছে বলেও জানিয়েছেন ওই বন আধিকারিক।

অন্যদিকে মেটেলি ব্লকের কাষ্টুপাড়া ও আটাধুরা এলাকায় রাতভর আতঙ্ক ছড়ায় দুই বন্য হাতি। এলাকাজুড়ে রয়েছে বিস্তীর্ণ ধানক্ষেত, আর সেই ধানের লোভেই হাতির দল লোকালয়ে ঢুকে পড়ে বলে বন দফতর সূত্রে জানা যায়। স্থানীয় মানুষ এবং বনকর্মীরা পটকা ফাটানো ও সাইরেন বাজিয়ে দুই হাতিকেই পুনরায় জঙ্গলে ফেরাতে সক্ষম হন। গত কয়েকদিন ধরে মেটেলি ব্লকে লাগাতার বাড়ছে হাতির উপদ্রব। যা নিয়ে সতর্ক বন আধিকারিক।
সর্বশেষ খবর
-
সমর্থকদের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা, হোটেল আর ট্রেনিংয়ে ‘কারফিউ’ ব্রাজিলের
-
বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়
-
প্রাক বর্ষার বৃষ্টি উত্তরবঙ্গে, অস্বস্তির মাঝেই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কলকাতা-সহ একাধিক জেলায়
-
সকালে টিকিট কেটে দুপুরে কোটিপতি! রাতারাতি ভাগ্যবদল যুবকের
-
পালাবদলে বাড়ছে শক্তি! আরএসএস শিক্ষক সংগঠনে একধাক্কায় ৩০ হাজার সদস্যবৃদ্ধি