Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
নৈহাটি বিস্ফোরণ

নৈহাটি বিস্ফোরণ: ৪৮ ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে ফরেনসিক টিম, জোয়ারের জলে নষ্ট হচ্ছে নমুনা

বিস্ফোরণস্থল পরিদর্শনে যান বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২০, ১৮:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২০, ১৮:১৭

options
link
নৈহাটি বিস্ফোরণ: ৪৮ ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে ফরেনসিক টিম, জোয়ারের জলে নষ্ট হচ্ছে নমুনা zoom

ব্রতদীপ ভট্টাচার্য: বিস্ফোরণের জেরে গঙ্গার পাড়ে তৈরি হয়েছিল ১০ ফুটের গর্ত। কালো ত্রিপল দিয়ে ঢেকে রাখা ছিল সেই বিস্ফোরণস্থল। তদন্তের জন্য নমুনা সংগ্রহের জন্যই ঢেকে রেখেছিল পুলিশ। কিন্তু শুক্রবার দিনভর নৈহাটির রামঘাটে বিস্ফোরণস্থলে আসেনি ফরেনসিক টিম। শনিবার ঘটনার ৪৮ ঘণ্টা বাদে আসে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। তবে ঘটে গিয়েছে আরেক বিপত্তি। জোয়ারের জল পাড়ে এসে ভাসিয়ে দিয়েছে বিস্ফোরণস্থল। ১০ ফুটের গর্তে জল ঢুকে বহু নমুনা নষ্ট করে দিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। যা তদন্তের ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করবে বলে মত স্থানীয় বাসিন্দাদের। ফের একবার পুলিশের গাফিলতির ছবি ধরা পড়ল এই ঘটনায়।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার দুপুরে নৈহাটির রামঘাটে বাজেয়াপ্ত আতসবাজি নিষ্ক্রিয় করছিলেন পুলিশ আধিকারিকরা। সেই সময় প্রচণ্ড বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে গঙ্গার দু’পাড়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় দু’দিকে বহু বাড়ি। কিন্তু কীভাবে ঘটল শক্তিশালী বিস্ফোরণ? ঘটনার পর প্রায় ৪৮ ঘণ্টা কেটে গেলেও উত্তর অধরা। গতকাল শুক্রবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বিডিডিএস আধিকারিকরা। গঙ্গা তীরবর্তী ওই এলাকা খতিয়ে দেখেন তাঁরা। বিডিডিএস আধিকারিকরা জানান, বিস্ফোরণস্থলে প্রায় ১০ ফুটের গর্ত তৈরি হয়েছে। এছাড়া ওই গর্তের পাশ থেকে রুপোলি রঙের একটি গুঁড়ো জাতীয় পদার্থ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই পদার্থ বারুদ নাকি অন্য কোনও রাসায়নিক, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফরেনসিক আধিকারিকদের শুক্রবার ঘটনাস্থলে যাওয়ার কথা থাকলেও। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশির পড়ায় সমস্ত তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হচ্ছে। তাই ফরেনসিক আধিকারিকরা বিস্ফোরণস্থলে যেতে যত দেরি করবেন, ততই নষ্ট হবে তথ্যপ্রমাণ। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘নৈহাটিতে আরডিএক্স বিস্ফোরণ হয়েছে’, দাবি রাহুল সিনহার]

এদিকে ৪৮ ঘণ্টা পর শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু জোয়ারের জল গর্তে ঢুকে পড়ায় অনেক নমুনা নষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রচুর রাসায়নিক, বারুদের নমুনা ছিল বিস্ফোরণস্থলে। যা জলে নষ্ট হয়ে গেলে তদন্তে ক্ষতি হবে বে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে, এদিন বিস্ফোরণস্থল পরিদর্শনে যান বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং। তিনি সেখানে গিয়ে দেখা করেন বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে। এদিনও তিনি বিস্ফোরণ কাণ্ডে রাজ্য সরকারকে তোপ দেগে এনআইএ তদন্তের দাবি তোলেন সাংসদ। জলে নমুনা নষ্ট হয়ে যাওয়ার জন্যও তিনি ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের কাঠগড়ায় তুলেছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.