সুবীর দাস, কল্যাণী: জাল পাসপোর্ট চক্রে এবার পুলিশের জালে এক বাংলাদেশি! যে আবার দীর্ঘ ১০ বছর ইউরোপের দেশে কাটিয়ে এসেছে বলে খবর। সূত্রের দাবি, বাংলাদেশে থেকে আগত অনুপ্রবেশকারীদের ইউরোপে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত ধীরেন। চক্রের বাকিদের হদিশ পেতে হেফাজতে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে তদন্তকারীরা।
বছরের শুরুতে নদিয়ার চাকদা থানার অন্তর্গত মদনপুর জমাদার পাড়া থেকে ধীরেন ঘোষকে পাকড়াও করে কলকাতা পুলিশের এসটিএফ। গত পাঁচ-ছবছর ধরে ওই এলাকায় স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে নিরঞ্জন পালের বাড়িতে ভাড়া থাকত সে। বাড়িওয়ালা পাল পরিবারের সদস্যরা জানান, ধীরেন পোশাকের ব্যবসা করত। তবে তার কাছে কোনও ব্যবসার জিনিসপত্র কোনদিনও দেখেননি তাঁরা। সূত্রের দাবি, ধীরেনের জন্ম বাংলাদেশে। তারপর সে এদেশে চলে আসে। তারপর থেকে এখানেই থাকত। তবে বছরে একবার বাংলাদেশ থেকে শ্বশুর-শাশুড়ি তার কাছে আসতেন। একমাস থেকে আবার চলে যেতেন।
এসটিএফ সূত্রের দাবি, এর মাঝে প্রায় ১০ বছর ইটালিতে ছিল ধীরেন। কী কারণে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। মনে করা হচ্ছে, বাংলাদেশে থেকে আগত অনুপ্রবেশকারীদের ইউরোপে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত ধীরেন। আর তাদের নথি তৈরি করত চাঁদপাড়া থেকে গ্রেপ্তার মনোজ গুপ্তা। ট্রাভেল এজেন্সির আড়ালে চলত এই কীর্তি। এই মনোজকে জেরা করেই ধীরেনের হদিশ মিলেছে। মঙ্গলবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এসটিএফের টিম তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়ার পর সকালে পাড়ার সকলে জানতে পারে যে ধীরেন জাল পাসপোর্ট চক্রের সঙ্গে যুক্ত। যা শুনে হতবাক এলাকাবাসী।
সর্বশেষ খবর
-
আজ জানে কি জিদ না করো… চোখের জলে মহাকাব্যে ইতি টানলেন মহানায়ক রোনাল্ডো
-
লাস্ট ডান্সেও অধরা মাধুরী, স্পেনের কাছে হেরে শূন্য হাতেই বিশ্বকাপকে চিরবিদায় রোনাল্ডোর
-
কাচ বসানো বালা পরিয়ে বৃদ্ধার ৫০ লক্ষের হিরের গয়না হাতিয়ে পালায় আয়া! কী হল তারপর?
-
চুলের মুঠি ধরে মার! কলেজ প্রজেক্টের ছবি তুলতে গিয়ে হেনস্থার শিকার ৪ ছাত্রী
-
বাবা-ছেলেকে অপহরণ করে ১০ লক্ষ মুক্তিপণ দাবি! ধৃত ৩