Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
cyclone

আমফানের পর ফের ধেয়ে আসছে ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড়! কী বলছে হাওয়া অফিস?

গতবছর মে মাসে বঙ্গে তাণ্ডব চালিয়েছিল আমফান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২১, ১৮:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২১, ১৮:৫৫

options
link
আমফানের পর ফের ধেয়ে আসছে ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড়! কী বলছে হাওয়া অফিস? zoom
ছবি: প্রতীকী

নব্যেন্দু হাজরা: ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হচ্ছে বঙ্গোপসাগরে। চলতি মাসের শেষে ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়তে পারে বাংলা বা ওড়িশা উপকূলে। গত কয়েকদিনে এই খবরে ছয়লাপ সোশ্যাল মিডিয়া। বিষয়টি নজরে পড়তেই আমফান (Amphan) পরবর্তী পরিস্থিতি স্মরণ করে অনেকেই সুরক্ষিত স্থানে যাওয়ার চিন্তাভাবনা শুরু করেছেন। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানাল, এই তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড়ের খবর। জানা যায়, মার্চের শেষ অথবা এপ্রিলের প্রথমে ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার বেগে ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়তে পারে বঙ্গে। যার নাম ‘টাউকতে’। এই  খবরে স্বাভাবিকভাবেই অত্যন্ত আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অনেকে। জনজীবন ব্যহত হওয়ার আশঙ্কায় ছড়িয়ে পড়ে উদ্বেগ। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের স্বার্থে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের (Regional Meteorological Centre, Kolkata) তরফে জানানো হল, এই ঘূর্ণিঝড়ের খবর একেবারেই ভুল। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, আগামী ১০ দিনেও বঙ্গে ঘূর্ণাবর্তের কোনও সম্ভাবনা নেই। পাশাপাশি জানানো হয়েছে, কোনওরকম ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা থাকলে, তা আগেভাগেই প্রেস রিলিজ দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন:  ‘আগে মহিলাদের জন্য রেলের ভাড়া মকুব করে দেখাক’, ইস্তাহার নিয়ে বিজেপিকে খোঁচা অভিষেকের]

গত বছর মে মাসে রাজ্যে আছড়ে পড়েছিল ঘূর্ণিঝড় আমফান। লণ্ডভণ্ড করে দেয় বাংলা (West Bengal)।  মাথার উপরের ছাদ হারিয়েছিল কয়েক হাজার পরিবার। তাঁদের ঠাই হয়েছিল ত্রাণ শিবিরে। গাছ ভেঙে পড়ে শহরের রাজপথ হয়ে গিয়েছিল স্তব্ধ। স্বাভাবিক গতি হারিয়েছিল শহর কলকাতা। গোটা জেলার অবস্থাও কার্যত হয়ে গিয়েছিল একইরকম। আমফান তাণ্ডব চালানোর পর প্রায় ৪ থেকে ৫ দিন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ছিল বহু এলাকা। জনজীবন স্বাভাবিক হতে কোথাও কোথাও একমাসেরও বেশি সময় লেগেছে। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘূর্ণিঝড়ের খবরে আঁতকে উঠেছিল আমজনতা। উল্লেখ্য, মার্চ থেকে মে, এই তিনমাস ঘূর্ণিঝড়ের প্রবল সম্ভাবনা থাকে।

[আরও পড়ুন:  মোদির কটাক্ষের পরও বহিরাগত তত্ত্বে অনড় মমতা, বিষ্ণুপুরের সভায় দিলেন নয়া ব্যখ্যা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.