Advertisement
Advertisement

পুরুলিয়ায় কলেজের দেওয়ালে নারীশক্তির প্রচার

ছাত্রীদের এই কাজে রং-তুলি দিয়ে সাহায্য করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষই!

Nistarini Women’s College Purulia Painted Outer Walls To Spread Woman’s Power
Published by: Sangbad Pratidin Digital
  • Posted:October 18, 2016 10:41 am
  • Updated:January 28, 2020 5:28 pm

স্টাফ রিপোর্টার: নারীশক্তি থেকে নারীর স্বনির্ভরতা৷ সেই সঙ্গে নারীর ক্ষমতায়ন৷ পুরুলিয়া শহরের নিস্তারিণী মহাবিদ্যালয়ের দেওয়ালে নানা ছবিতে ‘উওম্যানস পাওয়ার’-র বার্তার উজ্জ্বল উপস্থিতি নজর এড়াল না ন্যাকের প্রতিনিধিদেরও৷ কলেজের সীমানা প্রাচীরের দেওয়ালে নারীশক্তির নানা চিত্র ফুটিয়ে তোলায় ন্যাকের প্রতিনিধিদের বাহবাও কুড়োলেন ছাত্রীরা৷
নারী মানেই অত্যাচারিতা৷ মহিলা মানেই পিছিয়ে থাকা৷ ইন্টারনেটের এই যুগেও ভারতীয় সমাজে মহিলাদের এই অবস্থান যে সঠিক নয়, কলেজের দেওয়ালে সেই বার্তাই দিচ্ছেন নিস্তারিণী মহাবিদ্যালয়ের ছাত্রীরা৷ তাই কলেজের দেওয়াল ছবিতে ঘোড়ায় চড়ে ঝাঁসির রানি লক্ষ্মীবাইয়ের মতো মহিলারা যেমন ছুটছেন, তেমনই নজরে পড়ছে বাহু দেখিয়ে মহিলাদের স্লোগান ‘উই ক্যান ডু ইট’৷ যা দেখে অভিভূত ন্যাকের দল৷ দেওয়ালের পাশে ন্যাকের প্রতিনিধিরা দাঁড়িয়ে ছবিও তুলেছেন৷ রিপোর্টে উল্লেখ করেছেন ছাত্রীদের এই কাজ৷
তবে কলেজের দেওয়ালে এই চিত্রের মাধ্যমে সৌন্দর্যায়ন এই মহাবিদ্যালয়ের কাছে নতুন প্রকল্প নয়৷ গত এক দশকে এবার নিয়ে তিনবার এই কাজ করলেন ছাত্রীরা৷ প্রতিবারই কোনও না কোনও থিম থাকে৷
আসলে ফাঁকা দেওয়াল মানেই রাজনৈতিক স্লোগান৷ বিভিন্ন কোম্পানির নানা বিজ্ঞাপন৷ কোনও অনুমতি ছাড়াই৷ তাই কলেজের অধ্যক্ষ ইন্দ্রাণী দেব বলেন, “আমরা যদি কোনও জায়গার সৌন্দর্য বৃ‌দ্ধি করি, তবে তা নষ্ট করার প্রবণতা কমে। বা সেই সৌন্দর্য নষ্ট করে অন্য কাজ করার ঘটনাও সেভাবে ঘটে না৷ তাই কলেজের দেওয়ালকে আমরা সাজিয়ে গুছিয়ে রাখছি৷ ছাত্রীরা তাঁদের ভাবনা দিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনা করে এই কাজ করেছে৷ ছাত্রীদের এই কাজে সম্প্রতি কলেজে আসা ন্যাকের প্রতিনিধিরাও ভীষণ খুশি হয়েছেন৷”
দেওয়ালে লেখচিত্রের মাধ্যমে সামাজিক বার্তা, সৌন্দর্যায়নের পাশাপাশি এই কাজে প্রতিভার অন্বেষণও হয়েছে৷ কোনও ছাত্রী কত ভাল আঁকতে পারে বা তার ভাবনার, মেধার প্রসার কতটা, তা নিয়ে সুস্থ প্রতিযোগিতা হয়েছে৷ কলেজের অধ্যাপিকাদের কথায়, সীমানা প্রাচীরের একটা বড়় অংশকে বিভিন্ন ছাত্রীর মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়৷ ফলে ছাত্রীরা প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ে সেরা হওয়ার জন্য৷ দ্বিতীয় বর্ষের ভূগোল অনার্সের ছাত্রী দীপান্বিতা মণ্ডল, শিল্পা কর্মকার বলে, “মহিলারা যে পিছিয়ে নেই দেওয়াল চিত্রের মাধ্যমে আমরা সেই বার্তা-ই দিয়েছি৷” ছাত্রীদের এই কাজে রং-তুলি দিয়ে সাহায্য করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষই৷

Advertisement

Advertisement

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ