Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Shantipur

শান্তিপুরে তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোট দলীয় সদস্যদেরই, মথুরাপুরে পঞ্চায়েতের দায়িত্বে বিজেপি

অনাস্থা ভোটের বিরুদ্ধে আইনি পথে হাঁটার হুঁশিয়ারি দেন শান্তিপুর -১ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধান।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০২৬, ১৮:২৩

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০২৬, ১৮:২৩

options
link
শান্তিপুরে তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোট দলীয় সদস্যদেরই, মথুরাপুরে পঞ্চায়েতের দায়িত্বে বিজেপি zoom
১০ আগস্ট, সোমবার। শান্তিপুর ও মথুরাপুরের দুই গ্রাম পঞ্চায়েতে অনাস্থা ভোটে জয়ী বিজেপি। নিজস্ব ছবি।
Advertisement

দিকে দিকে তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা! শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকের শান্তিপুর -১ গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূলের প্রধান করুনা শীর বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটে জয় পেল বিজেপি। এখানে তৃণমূলের একাধিক সদস্যই দলের প্রধানের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। অন্যদিকে, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার মথুরাপুর এক নম্বর ব্লকের লক্ষীনারায়নপুর উত্তর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনে বিজেপি। সেখানে তৃণমূলের ৬ সদস্যের মধ্যে মাত্র ২ জন উপস্থিত ছিলেন। এই ভোটেও জিতে যায় বিজেপি। বিজেপির সুতাপা হালদার নতুন প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোমবার শান্তিপুর-১ গ্রাম পঞ্চায়েতে অনাস্থার জন্য চলে ভোটাভুটি। এই গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট আসন সংখ্যা ছিল ২০টি। এর মধ্যে বিজেপির ৭টি, সিপিআইএমের ২টি ও ১১টি তৃণমূলের। রাজ্যে পালাবদলের পরই পঞ্চায়েত প্রধান করুনা শীর বিরুদ্ধে একাধিক স্বজন-পোষন ও দুর্নীতির অভিযোগ তোলে বিজেপি। সোমবার ছিল অনাস্থা ভোটপর্ব। এদিন বিজেপির ৭ জনপ্রতিনিধি ছাড়াও তৃণমূলের ৪ জন পঞ্চায়েত সদস্যও প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনে। এরফলে ২০টি’র মধ্যে ১১টি ভোট পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে পড়ে। ফলে শান্তিপুর -১ গ্রাম পঞ্চায়েত তৃণমূলের হাতছাড়া হয়। প্রশাসনিক আধিকারিকের উপস্থিতিতে চলে এই অনাস্থা ভোট প্রক্রিয়া। এদিন বিজেপি নেতাকর্মীরা গেরুয়া আবির মেখে আনন্দে মেতে ওঠেন। এদিন অনাস্থা কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদের সভাধিপতি বামদেব গুছাইত।

Advertisement

অনাস্থা ভোট নিয়ে প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান করুনা শী বলেন, “এই অনাস্থা প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বেনিয়মে চলেছে। অনাস্থা আনার জন্য সময়সীমা ছিল বেলা ১২ টা পর্যন্ত। সাড়ে ১২টা পর্যন্ত প্রয়োজনীয় ১১ জন সদস্য জোগাড় করতে পারেনি বিজেপি। এক তৃণমূলের সদস্যকে ভয় দেখিয়ে অনেক পরে পঞ্চায়েত দপ্তরে আনা হয়। এ বিষয়ে শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকের বিডিওকে প্রথমে ফোন করেছিলাম। পরে ফোন করলে আর ফোন ধরেননি তিনি। এটা অনৈত্যিক জয়। আমি আইনের পথে হাঁটব। প্রশাসন সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহে শান্তিপুর-১ গ্রাম পঞ্চায়েতে নতুন পঞ্চায়েত প্রধান এবং উপপ্রধান নির্বাচন হবে।

অন্যদিকে, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার মথুরাপুর এক নম্বর ব্লকের লক্ষ্মীনারায়ণপুর উত্তর গ্রাম পঞ্চায়েতে অনাস্থা ভোটে ভরাডুবি হয় তৃণমূলের। ২০২৩ সালে প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য দীপালি পাইক। রাজ্যে পালাবদলের পর তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগে অনাস্থা আনা হয়। এর ফলে বদলে যায় বোর্ডের নেতৃত্ব। জানা গিয়েছে, ১৯ সদস্যের এই বোর্ডে তৃণমূলের ৮ জন, বিজেপির ৫ জন, সিপিআইএমের ৪ জন, কংগ্রেসের ১ জন এবং ১ জন নির্দল সদস্য রয়েছেন। তবে কংগ্রেসের এক সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। অনাস্থা ভোটের আগে তৃণমূলের ৮ সদস্যের মধ্যে ৬ জন অনুপস্থিত থাকেন। উপস্থিত ছিলেন মাত্র দু’জন মহিলা সদস্য। সব মিলিয়ে ১১ জন সদস্যের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয় প্রধান নির্বাচনের প্রক্রিয়া। শেষ পর্যন্ত বিজেপির সুতাপা হালদার প্রধান নির্বাচিত হন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.