BREAKING NEWS

১১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  রবিবার ২৯ নভেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ট্রেন চললেও মিলছে না ভেন্ডর টিকিট, দীপাবলির মরশুমে অগ্নিমূল্য ফুল-সবজি-মাছ

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: November 12, 2020 7:32 pm|    Updated: November 13, 2020 1:12 pm

An Images

সুব্রত বিশ্বাস: ‘মায়ের পায়ে জবা হয়ে ওঠনা ফুটে মন।’ ট্রেন চালু হলেও মা কালীর গলায় সম্ভবত উঠছে না জবার মালা। যদিও বা মেলে তা অত্যাধিক চড়া দামে। ট্রেন চালু হওয়ার দু’দিন হয়ে গেলেও খড়গপুর ডিভিশনের পাশকুড়া, মেচেদা, মেদিনীপুর, কোলাঘাট, শিয়ালদহের, রানাঘাট, হাসনাবাদ থেকে ট্রেনে ফুল তুলতে পারলেন না ভেন্ডররা। ভেন্ডর টিকিট কাউন্টার থেকে না দেওয়ায় এই বিপত্তি। নিরুপায় চাষীরা ৪০৭ ভাড়া করে কলকাতার জগন্নাথ ঘাটে আসছেন ফুল নিয়ে। কেউ বা হাওড়াগামী দিঘার বাসে মোটা ভাড়া দিয়ে ফুল আনছে কলকাতায়। ফুলের জোগানদার শ্যামল মন্ডলের কথায়, ট্রেনগুলিতে দৈনিক ৫০০ থেকে ৬০০ যান চাষী কলকাতায় আসেন ফুল নিয়ে। ভেন্ডার টিকিট না পেয়ে ট্রেনে চড়তে পারেননি তাঁরা।

[আরও পড়ুন: ‘আজ মানুষ ভেঙেছে, পরে কুকুর-ছাগলে ভাঙবে’, কনভয়ে হামলায় দিলীপকে বেনজির তোপ অনুব্রতর]

এই আব্যাবস্তার ফলে ট্রেনে হাওড়া, শিয়ালদহ আসতে পারছেনা সব্জি থেকে মাছ, দুধ, ছানা, খই, চিড়ে, প্লাস্টিকের ফুল, মালা, মনিহারি দ্রব্য। দীর্ঘ সাড়ে সাত মাস বাদে ট্রেন চললেও তাতে শহরে আসতে পারছেন না চাষী থেকে ছোট ব্যবসায়ীরা। ট্রেনে দুটি ভেন্ডার কামরা থাকলেও তা কার্যত ফাঁকা রয়ে গিয়েছে। দু একজন ভেন্ডার মান্থলি নবিকরণ করে ট্রেনে উঠতে পারলেও ৯৫ শতাংশ চাষী ওঠার সুযোগ পাননি। অনেক কাউন্টার থেকে বলা হচ্ছে, ভেন্ডার নট এলাউ। হাওড়ার ডিআরএম ইশাক খান জানান, ইউটিএস সিস্টেমে এই টিকিট আসছে না। সিস্টেমটি কনসেসনের সঙ্গে যুক্ত ছিল।তা বন্ধ হওয়ায় বিপত্তি ঘটেছে। দুই ডিভিসন রেল বোর্ডকে চিঠি লিখে নিষ্পত্তি করতে বলেছে। কয়েক দিনের মধ্যে এই সামস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

কালীপূজা, দিপাবলিতেই মূল ব্যবসা কৃত্রিম ফুল, মালা, গৃহসজ্জার সামগ্রী বিক্রেতাদের। এই সামগ্রী মূলত আসে কাটোয়া লোকাল। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী চিত্তরঞ্জন সাঁতরার আক্ষেপ, এই সামগ্রী বিক্রির সময় এটাই। ট্রেনেই কলকাতা বাগরী মার্কেট, চীনা মার্কেট সহ বিভিন্ন বাজারে যায় এই মাল। ট্রেনে আসতে বা পারে এই সাময়িক ব্যবসা চরম ক্ষতিগ্রস্ত বলে তিনি জানান। একই কারণে কলকাতায় আসতে পারছেনা লক্ষ্মীকান্তপুর শাখার চিড়ে, খই, শান্তিপুরের ছানা, বনগাঁ শাখার দুধ, গেডে, কৃষ্ণনগর, লালগোলা, হাওড়ার তারকেশ্বর, কাটোয়া, বার্ধনান মেন, কর্ড শাখা থেকে যে প্রচুর পরিমান সব্জি কলকাতা শহর ও আশপাশ শহরতলিতে আসে তা এখন রেল পরিবহনে আসতে না পারায় সড়ক পরিবহনের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে। ক্যানিং থেকে আস্তে পারছে না মাছও। ফলে দীর্ঘদিন বাজার সব্জির ও মাছের দাম আকাশ ছোঁয়া। ট্রেনে এই সামগ্রী এলে দাম কমবে বলে ব্যবসায়ীদের ধারণা।

[আরও পড়ুন: বিয়ের পরপরই বধূ অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় নিত্য অশান্তি করতেন শাশুড়ি! মুক্তি পেতে চরম সিদ্ধান্ত দম্পতির]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement